শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

অর্থনীতি ও বাণিজ্য

চার বন্ধনীয় এনবিএফআইয়ের আমানতকারীরা ফেরত পাবেন সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল টাকা সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমানতের অবশিষ্ট অংশ নির্ধারিত হারে কেটে ফেরত দেওয়া হবে।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২০ এএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২০ এএম
চার বন্ধনীয় এনবিএফআইয়ের আমানতকারীরা ফেরত পাবেন সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা

আমানত ফেরতের নতুন সিদ্ধান্ত

বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ব্যক্তি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে একটি স্কিম তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল টাকার সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এর বেশি অথ জমা থাকলে নির্ধারিত হারে অর্থ কেটে বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হবে। ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানত থাকলে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।

আমানতের পরিমাণ অনুযায়ী ফেরতযোগ্য অঙ্গ নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ কোটি থেকে দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত আমানতের ক্ষেত্রে প্রথম ১ কোটি টাকার জন্য ৮০ লাখ টাকা এবং অবশিষ্ট অংশের ৫০ শতাংশ ফেরত দেওয়া হবে। দেড় কোটি থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানত থাকলে প্রথম ১ কোটি ৫০ লাখ টাকাসহ অতিরিক্ত অংশের ৪০ শতাংশ পাওয়া যাবে। অর্থাৎ, ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা জমা থাকলে আমানতকারী মোট ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা পাবেন।

যেসব আমানতকারীর টাকা জমা রয়েছে ২ কোটি টাকা বা তার বেশি, তাদের ক্ষেত্রে প্রথম ২ কোটি টাকার বিপরীতে সর্বোচ্চ ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং এর অতিরিক্ত অংশের ৩০ শতাংশ ফেরত দেওয়া হবে। যেমন, ৩ কোটি টাকা আমানত থাকলে প্রথম অংশের জন্য ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং বাকি ১ কোটি টাকার ৩০ শতাংশ—মোট ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।

কার আমানত ফেরত পাওয়া যাবে

সুবিধাভোগী চারটি প্রতিষ্ঠান হলো আভিভা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এফএস ফাইন্যান্স ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট ১২ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা আমানত রয়েছে। এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৩ হাজার ১২ কোটি, আভিভা ফাইন্যান্সে ৫ হাজার ৩৬৮ কোটি, এফএস ফাইন্যান্সে ১ হাজার ২৪৬ কোটি এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্সে ৪৪৯ কোটি টাকা জমা রয়েছে।

গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক চার প্রতিষ্ঠানকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে এবং সেগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ শূন্য করে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তাদের সহায়তার জন্য প্রতিটিতে আরও দুজন করে ব্যাংকের কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। জানা গেছে, বন্ধের কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে উঠেছে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ