নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার পর হাতাহাতি ও সংঘর্ষ ঘটেছে। এই ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের মূল ফটকের সামনে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় যোগ দিতে হাতিয়া উপজেলা পরিষদ ভবনে যান হান্নান মাসউদ। ভবনের প্রবেশমুখে পৌঁছালে সেখানে আগে থেকে অবস্থান করে থাকা ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র বাক প্রতিদ্বন্দিতা শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এনসিপির হাতিয়া উপজেলা আহ্বায়ক শামসুদ্দিন তিবরিজ ঘটনটিকে সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ও পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, কোনো উসকানি ছাড়াই ছাত্রদল ও যুবদলের ক্যাডাররা এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। অন্যদিকে, বিএনপির হাতিয়া উপজেলা সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হায়দার চৌধুরী দাবি করেন, সদস্য হান্নান মাসউদের ধারাবাহিক উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণেই দলীয় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
p>ঘটনার বিষয়ে হান্নান মাসউদ অভিযোগ করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে যাওয়ার পথে বিএনপির লোকজন পথরোধ করে হট্টগোল সৃষ্টি করে এবং একপর্যায়ে হাতাহাতিতে লিপ্ত হয়। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষের সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের ছোঁড়ায় তাঁর ঘাড়ে আঘাত পড়েছে। তবে বিএনপি নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো হামলার পরিকল্পনা ছিল না বলে দাবি করা হয়েছে। p>হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানান, সংসদ সদস্য সভাস্থলে প্রবেশের সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবেশ শান্ত করে। হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল জানান, উপজেলা পরিষদ গেটে দুই দলের উপস্থিতির কারণে ধাক্কাধাক্কি ও উচ্চবাচ্য হয়। পরে প্রশাসনের তৎপরতায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং সংসদ সদস্যকে নিরাপদে সভায় পৌঁছে দেওয়া হয়।-6ab63c72d2471.jpg)
-6ab6a466c9142.jpg)
-6ab66959b519a.jpg)


