গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রাধিকার অর্জন করা হয়েছে। বিশেষ করে সরকারি উদ্যোগে ডিজিটাল ঢাকাবাজার, ই-গর্ন্যান্স প্রকল্প ও ডিজিটাল শিক্ষা আইনানুসারে দেশটির আন্তর্জাতিক মানের মডেল গড়ে তোলা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো শুধু শাসনপ্রণালিকে স্বচ্ছ করে তুলছে না, বাজার ও বেসামরিক খাতকে সমর্থন করে সামগ্রিক অর্থনীতিক পরিসরকে বিস্তৃত করছে।
ডিজিটাল পরিবর্তনের গতি ও গতিপ্রবর্তন
সরকারি প্রযুক্তি উন্নয়ন অধিদপ্তর (আইটিডিপি) জানিয়েছে, গত এক বছরে মোবাইল অ্যাপস ও ওয়েবসাইটগুলোতে স্বয়ংক্রিয় কাজকর্তব্য বাড়ানো হয়েছে। এতে ফলস্বরূপ প্রতিদিনিক শাসনকর্মীদের সময় বাঁচে এবং আবদ্ধ মানুষজন তাদের সেবাগ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে পারে। বিশেষ করে জাতীয় পরিচয় সংহিতা, জাতীয় ভোটার তালিকা ও জাতীয় ঠিকানা বাতাসহ গুরুত্বপূর্ণ ডাটাবেসগুলো একত্রে স্বয়ংক্রিয় করে তোলা হয়েছে।
বেসামরিক খাতের অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলো মনে করছেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনগত ও নিরাপত্তামূলক ভিত্তি শক্তিশালী করলে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য হবে। তাই তাদের মধ্যে শূন্য দুর্ঘটনা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিজস্ব ডিজিটাল রূপান্তর অধিকাংশই গ্রহণ করছে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাগুলো ওয়েবসাইট ও মোবাইল প্ল্যাটফর্মে আপনার ব্যবসাকে প্রদর্শন করে বিশ্বব্যাপী গ্রাহক জড়িয়ে নিতে পারে।
ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ
বিশ্লেষণকারীরা বলছেন, ভবিষ্যৎ যুগের জন্য প্রস্তুত হওয়ার মধ্যে মানবজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি জ্ঞান অপরিহার্য। কিন্তু দক্ষ জনশক্তির অভাব ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা এই রূপান্তরকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাই সরকার ও বেসামরিক খাতের সহযোগিতায় দক্ষ শিক্ষক ও প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা প্রয়োজন।
অবশ্যই এই গতি ও উন্নয়ন একটি ধাবত্বর্গীয় প্রক্রিয়া যা অব্যাহত থাকবে। তাই সবাই মিলে ডিজিটাল ভারসাম্য বজায় রেখে এই রূপান্তরকে সামগ্রিক ও টেকসই করতে হবে। এতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্তরে ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতে আলাকাম ভূমিকা পালন করতে পারবে।


