শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

রাজনীতি

জামায়াত-আওয়ামী লীগের ‘পুরোনো প্রেম’ ফিরে এসেছে বলছেন রাশেদ খান

ঝিনাইদহে জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বিএনপির প্রতি আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক নিপীড়নের কথা তুলে ধরে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বিরোধী জোটকে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৯ এএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৯ এএম
জামায়াত-আওয়ামী লীগের ‘পুরোনো প্রেম’ ফিরে এসেছে বলছেন রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহের নতুন হাটখোলা জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। জামায়াত এবং আওয়ামী লীগের পুরোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে তিনে দাবি করেন। তাঁর মতে, একটি ‘পুরোনো প্রেম’ আবার জাগ্রত হয়েছে বলে সাধারণ মানুষ মনে করছেন।

এ সময় রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপি সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়েছে। বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর গুম-খুনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তুলে ধরে তিনি জিজ্ঞেস করেন, নিপীড়িত হওয়া সত্ত্বেও বিএনপি কীভাবে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে চায়। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, দুই দলের অতীতের চিঠি ও যোগাযোগের ইতিহাস তাঁরা ভুলে যাননি।

আওয়ামী লীগের পক্ষে নীরব ভূমিকা রাখার বিষয়টিও তিনি সমালোচনা করেন। বিএনপি নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার একজন ‘ফ্যাসিবাদী’ সরকারকে হটিয়ে অন্যজের মতো আরেকটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করার চেষ্টা করছেন—এমন প্রশ্ন তুলে রাশেদ খান বলেন, বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক চর্চায় বিশ্বাস করে এবং জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি সভা-সমাবেশ ও অযৌক্তিক লংমার্চে বাধা দেয় না।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসনকাল নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, এই সময়ে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা ভেঙে বাংলাদেশপন্থি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। একই সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, জামায়াত ও বিএনপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা না করে সরকার কি নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করেছে, যা এই দুই দলের পক্ষে হয়েছে।

রাশেদ খান আসন সংখ্যার পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর মতে, যে দল অতীতে সর্বোচ্চ ১৮টি আসন পেয়েছিল, তা এবার ৭৭টি আসন কীভাবে পেল—এই প্রশ্ন মানুষের মধ্যে বিদ্যমান। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আমির ও আওয়ামী লীগের নেতা নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী ফল নিয়েও তিনি সন্দেহের কথা বলেন। তাঁর দাবি, জনগণের ভোটেই দুজি জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হয়েছেন—এ বিষয়ে মানুষের আস্থা নেই। তবে জামায়াত ও বিএনপিকে বৃহৎ বিরোধী জোটে পরিণত করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো ‘মেকানিজম’ ছিল কি না, তা তাঁর বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে। কথোপকথনের সময় জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মজিদসহ স্থানীয় নেতারা রাশেদ খানের পাশে ছিলেন।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ