শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

খেলাধুলা

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ১১৪টি অভিযোগ প্রমাণিত, মামলা যাচ্ছে আপিলে

স্বাধীন কমিশন ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আনা আর্থিক নিয়ম ভাঙার ১১৪টি অভিযোগ প্রমাণিত বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে। ট্রান্সফার উইনডস কমিশনের এই রায় প্রকাশের পর ক্লাবটির আপিল আপিল পর্যায়ে উঠছে।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৬ পিএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৬ পিএম
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ১১৪টি অভিযোগ প্রমাণিত, মামলা যাচ্ছে আপিলে

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার ১১৪টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে খবর এসেছে। লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল ডিসপিউট রেজোলিউশন সেন্টারে অবস্থানিত তিন সদস্যের স্বাধীন কমিশন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শুনানি শেষ করার পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্লাবটির বিরুদ্ধে ১১৫টি অভিযোগ উত্থাপন করা হলেও কমিশনের কাছে প্রকৃত অভিযোগের সংখ্যা ১৩০টি পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

অভিযোগগুলোতে ম্যানচেস্টার সিটির ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা নয় বছর ধরে উয়েফা ও প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম ভঙার অভিযোগ রয়েছে। লিগের দাবি, ক্লাবটি মৌসুমভিত্তিক সঠিক আর্থিক তথ্য না দিয়ে নিজের প্রকৃত আয়ের চেয়ে বেশি খরচের তথ্য দেখিয়েছিল। ফলে বাড়তি টাকা দিয়ে খেলোয়াড় কেনা, বেতন বা প্রশিক্ষককে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। প্রিমিয়ার লিগের তদন্ত সহযোগিতা না করারও অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অভিযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ক্লাবটির একজন কোচকে চার বছর ধরে দেওয়া অর্থের পূর্ণ হিসাব না জানানোর অভিযোগ। আদালতে উত্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ওই কোচের সঙ্গে সম্ভাব্য গোপন চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিবরণীতে উল্লিখিত হিসাবের চেয়ে বেশি অর্থ দেওয়া হতো। প্রিমিয়ার লিগ আরও দাবি করেছিল, ম্যানচেস্টার সিটি পাঁচ বছর ধরে উয়েফার আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম মেনে চলেনি।

তদন্তের পেছনে রুই পিন্টোর ইমেইল

এই অভিযোগগুলোর ভিত্তি তৈরি হয়েছিল জার্মানির পত্রিকা ডার স্পিগেলের ২০১৮ সালের প্রতিবেদন ও ফুটবল লিকস ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ইমেইল থেকে। ওই ইমেইলগুলো পর্তুগিজ হ্যাকার রুই পিন্টোর সংগ্রহ করা দলিলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ২০১৯ সালে উয়েফা এবং প্রিমিয়ার লিগ—দুই প্রতিষ্ঠানই সিটির বিরুদ্ধে আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করে।

ক্যাসের আগের রায় ও বর্তমান আপিল

উয়েফার তদন্তে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ক্লাবটির ওপর দুই বছরের ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা গারণ করা হয়। পাঁচ মাস পর কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে জরিমানা ১০ মিলিয়ন ইউরোতে কমায়। ক্যাস দাবি করেছিল, সিটি উয়েফার তদন্ত প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে অবহেলা করেছে, তবে গোপন মূলধন লুকানোর অভিযোগ থেকে তাকে মুক্তি দেয়। প্রিমিয়ার লিগের কাছে এ নিয়ে কোনো সময়সীমা না থাকায় ২০০৯ সাল পর্যন্ত তদন্ত সম্প্রসারিত করা সম্ভব হয়েছিল।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ