প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক বিধি ভঙ্গের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের শাস্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ক্লাবটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। তবে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
শাস্তির ধরন এখনো অনিশ্চিত
সূত্রে বলা হয়েছে, ম্যান সিটির বিরুদ্ধে সব ধরনের শাস্তি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। ফলে অর্থ জরিমানা, পয়েন্ট ব deduction বা ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার মতো বড় কোনো ব্যবস্থা আরোপিত হতে পারে। মামলার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আরও জানিয়েছেন, দীর্ঘ তদন্তের পর ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ক্লাবটি মাত্র একটি অভিযোগে দায়মুক্তি পেয়েছে।
২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সময়ের আর্থিক বিধি লঙ্ঘনকে কেন্দ্রে করে সিটির বিরুদ্ধে তদন্ত চলে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে সঠিক আর্থিক তথ্য এবং খেলোয়াড় ও কোচদের পারিশ্রমিকের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ না দেওয়া। এ ছাড়া উয়েফা ফাইন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে—এফএফপি—ও প্রিমিয়ার লিগের ‘প্রফিটেবিলিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’—পিএসআর—নীতিমালা ভাঙার অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সিটি অভিযোগ অস্বীকার করে আপিলের কথা বলছে
অভিযোগগুলো ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্তভাবে গঠন করা হলেও ম্যানচেস্টার সিটি সবসময় তা অস্বীকার করে এসেছে। ক্লাবটির মুখপাত্র দ্য অ্যাথলেটিককে বলেছেন, প্রিমিয়ার লিগের আইনি কার্যক্রম এখনো চলমান এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ধাপ বাকি। বিষয়টি গোপনীয়তার মধ্যে থাকায় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া ক্লাবের অবস্থানেই তারা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সিটি আগের দিনগুলোতে স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছিল। ক্লাবটির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রিমিয়ার লিগের বোর্ড ও নির্বাহী কর্তৃপক্ষ স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুমান করছে, সিটি আসন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। তবে অভিযোগ, দায়িত্ব ও শাস্তি—এই তিনটি বিষয়ে চূড়ান্ত ফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।



