শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

খেলাধুলা

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ১১৪টি প্রমাণিত অভিযোগে কী ছিল?

স্বাধীন কমিশনে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম ভাঙার ১১৪টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বিষয়টি এখন আপিল পর্যায়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকলেও ক্লাবটি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ পিএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ১১৪টি প্রমাণিত অভিযোগে কী ছিল?

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম ভাঙার ১১৪টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। স্বাধীন কমিশনের রায়ের পর মামলাটি আপিল পর্যায়ে যাচ্ছে। অভিযোগগুলোতে সিটির বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আয় সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে না দেওয়া, ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছ না রাখা এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার বিষয় রয়েছে।

প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ক্লাব নিজের আয়ের মধ্যেই খরচ করতে হবে। আয় বেশি দেখিয়ে, কোনো ব্যয় লুকিয়ে অথবা সঠিক তথ্য না দিয়ে এই বিধিব্যবস্থা এড়ানো সম্ভব। এর ফলে ক্লাব বাস্তবসম্মত আয়ের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে খেলোয়াড় কেনা, দল গড়ার জন্য বেতন দেওয়া বা কোচকে অতিরিক্ত পাওয়া নিয়ম ভাঙতে পারে। প্রিমিয়ার লিগের দাবি, সিটি মৌসুভর্তি সঠিক আর্থিক তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হয়ে নিয়ম ভেঙেছে।

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে একজন কোচকে দেওয়া অর্থের বিস্তারিত সময়মতো না জানানোর অভিযোগ। প্রিমিয়ার লিগের মতে, চার বছর ধরে এ বিষয়ে কোনো পূর্ণ হিসাব দেওয়া হয়নি। তদন্তকারীদের ধারণা, কোচের সঙ্গে এমন একটি গোপন চুক্তি ছিল, যার ফলে অনুষ্ঠানিক বিবরণীতে উল্লেখের চেয়ে বেশি অর্থ দেওয়া হতো। এছাড়া পাঁচ বছর ধরে ইউরোপীয় ফুটবল সংগঠন উয়েফার আর্থিক ন্যায্যতার নিয়মও সিটি মেনে চলেনি বলে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

বিষয়টি ইউরোপীয় স্তরেও বিবেচিত হয়েছিল। ২০১৯ সালে উয়েফা সিটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা ও ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা দেয়। পাঁচ মাস পর ক্যাস নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে জরিমানা ১০ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত কমায়। সেই রায়ে কেউ গোপন মূলধন লুকানোর অভিযোগ থেকে সিটিকে মুক্তি দেওয়া হলেও তদন্ত প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে অবহেলা করার দায় চিহ্নিত করা হয়। বেশিরভাগ অভিযোগ তখন প্রমাণিত না হওয়া অথবা পাঁচ বছরের সময়সীমা শেষ হওয়ার কারণে বিবেচনা করা হয়নি।

প্রিমিয়ার লিগের ক্ষেত্রে অবশ্য অভিযোগের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। ফলে তদন্ত সংসা ২০০৯ সাল পর্যন্ত পশ্চাৎপসরে নিয়েছিল। লিগ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিটির বিরুদ্ধে ১১৫টি অভিযোগ উত্থাপন করে বলে, প্রকৃত সংখ্যা ১৩০টি হতে পারে। লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল ডিসপিউট রেজোলিউশন সেন্টারে তিন সদস্যের স্বাধীন কমিশন ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ সপ্তাহ শুনানি নেয়। অভিযোগের সংখ্যা বিশাল হলেও ক্লাবটি সব দোষ অস্বীকার করে বলেছে, তার কাছে নিজের অবস্থানের পক্ষে বিস্তারিত প্রমাণ রয়েছে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ