মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
৫ই কার্তিক, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

জাতীয়

পূজার ছুটি ও কার্নিভাল: ৫ লাখ পর্যটকের আশায় কুয়াকাটা

পূজার ছুটি ও কার্নিভাল: ৫ লাখ পর্যটকের আশায় কুয়াকাটা...

ম
মুনতাসির মাহমুদ· বার্তা সম্পাদক
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পিএমসর্বশেষ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পিএম
পূজার ছুটি ও কার্নিভাল: ৫ লাখ পর্যটকের আশায় কুয়াকাটা

দুর্গাপূজাকে ঘিরে টানা পাঁচ দিনের ছুটি এবং দুই দিনব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল উপলক্ষে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত।

আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর সৈকতে অনুষ্ঠিত হবে ‘কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬’। দীর্ঘ নয় বছর পর বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এর আয়োজন করছে।

কুয়াকাটার পর্যটন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, টানা ছুটি ও কার্নিভাল মিলিয়ে এবার সৈকতে পাঁচ থেকে ছয় লাখ পর্যটকের সমাগম হতে পারে।

কার্নিভালে বিচ ম্যারাথন, বিচ ফুটবল, বিচ ক্রিকেট ও ফুড ফেস্টিভ্যালের আয়োজন থাকছে। আরও থাকছে ঘুড়ি উৎসব, চর বিজয় ভ্রমণ, পুঁথিপাঠ, বাউলগান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্বাস্থ্য পর্যটন নিয়েও বিশেষ আয়োজন থাকবে কার্নিভালে।

পর্যটকদের চাপ সামলাতে কুয়াকাটার তিন শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব হোটেলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এর বাইরে আশপাশের পাঁচটি গ্রামের প্রায় ৬০০ পরিবারও পর্যটকদের রাখার প্রস্তুতি নিয়েছে।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত কুয়াকাটায় রেকর্ডসংখ্যক পর্যটকের সমাগম হতে পারে।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ জানান, পর্যটকেরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারেন, সে বিষয়ে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

শুধু সমুদ্রসৈকত নয়, পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে রাখাইন পল্লি, মিশ্রিপাড়া, গঙ্গামতী ও লেম্বুর বন।

পর্যটকদের বরণে প্রস্তুতি নিয়েছেন রাখাইন মার্কেট, শুঁটকিবাজার, ঝিনুক ও আচার বিক্রেতারা। বড় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র দোকানি, পরিবহনশ্রমিক ও স্থানীয় গাইডদের আয় বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমীর বলেন, দুর্গাপূজার দীর্ঘ ছুটির সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের পর্যটন কার্নিভাল যুক্ত হওয়ায় এবার পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে পর্যটকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি তাদের ভালো ভ্রমণ-অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাও জরুরি বলে মনে করেন তিনি। এ জন্য ব্যবসায়ীদের হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং থানা পুলিশ সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক নাজমুল হাসান।

তিনি বলেন, সৈকতসহ পর্যটকদের সমাগমস্থলগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকবে। কোনো পর্যটক যাতে হয়রানি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক থাকবে। যেকোনো সমস্যায় পর্যটকদের ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
ম

মুনতাসির মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক

নিউজরুম এডিটর, ডেইলি বরিশাল ডটকম। বার্তা বিভাগে অভিজ্ঞতা ৭ বছর।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ