গাজীপুরে দুইদিনের ব্যবধানে নদী ও বিল থেকে স্কুলছাত্রীসহ দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। অন্যজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
গতকাল সোমবার রাতে টঙ্গীতে তুরাগ নদীর তীরের প্রত্যাশা মাঠ এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির (আনুমানিক ৫১ বছর) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার টঙ্গী নৌপুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, টঙ্গী পশ্চিম থানার আওতাধীন প্রত্যাশা মাঠ এলাকায় তুরাগ নদীর তীরে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
কত দিন ধরে মরদেহটি নদীতে ছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এখনো ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান আজ সকালে সাংবাদিকদের বলেন, মরদেহের শরীর পচে গিয়েছিল। এ ঘটনায় নৌপুলিশ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে। মরদেহটি বর্তমানে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
এর আগে গত শনিবার বেলা ১২টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার বেলাই বিল থেকে স্কুলের পোশাক পরা এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরে পুলিশ তার পরিচয় শনাক্ত করে। তার নাম তানজিনা (১৭)। তার বাবা নবী হোসেন প্রবাসে থাকেন। বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায়।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ অক্টোবর থেকে তানজিনা নিখোঁজ ছিল। তাকে খুঁজে পেতে একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট দেওয়া হয়। ওই পোস্টে উল্লেখ করা মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
আমতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লুৎফুল কবীর সাংবাদিকদের বলেন, কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় কিশোরীর চাচা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেছেন।



