গোপালগঞ্জে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুরের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় এ পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর মধ্যে ১৮ জনকে গতরাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ।
এর আগে গতকাল সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছিল পুলিশ।
গত শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় একটি মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে সদর থানার পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফুল মিয়া খান ও কনস্টেবল মাহাবুবুর রহমান আহত হন।
এ ঘটনায় এসআই ফুল মিয়া খান বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিল থেকে টহলরত পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ গতকালসংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হামলা-ভাঙচুরের ঘটনার পর ৩০ জনকে আটক করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ২৩ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানান তিনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী হুমায়ুন রশীদ আজ পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপ মিডিয়া গ্রুপে জানান, ২৫ অক্টোবর দায়ের হওয়া মামলায় নতুন করে আরও ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



