সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
১১ই কার্তিক, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

সারাদেশ

ছুরিকাঘাতে স্ত্রী-সন্তান হত্যা, ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড

ছুরিকাঘাতে স্ত্রী-সন্তান হত্যা, ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড...

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৯ পিএমসর্বশেষ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৯ পিএম
ছুরিকাঘাতে স্ত্রী-সন্তান হত্যা, ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায়ে ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হারেছ (৪৫) ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার গুলহরি (দুর্গাপুর) এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকায় শাহ আলমের বাড়িতে স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও একমাত্র শিশুসন্তান সোহাগকে নিয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ৮ জুলাই রাতে ফতুল্লার ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকায় নিজ ভাড়া বাসায় পারিবারিক ঝগড়ার জেরে স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩৫) ও শিশুসন্তান সোহাগকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যান হারেছ। পরে এই জোড়া খুনের ঘটনার পরদিন ৯ জুলাই নিহত মনোয়ারার ভাই মজিবুর রহমান মজিদ বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ আসামি হারেছকে গ্রেফতার করে।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত হারেছ তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২০ সালের ২০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, আদালত এই মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আসামি হারেছকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের নির্দেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হারেছকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ