২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান-ভারত ম্যাচের টিকিটের জন্য আবেদন পড়েছে প্রায় কোটির কাছাকাছি! অথচ ম্যাচের মাঠে বসতে পারবে মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। ম্যাচটি হবে ১০ অক্টোবর, জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে। এখন পর্যন্ত পুরো আসরের মধ্যে এই ম্যাচের টিকিটের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল জানিয়েছে, চলমান টিকিট ব্যালটে এই ম্যাচের জন্য আবেদন জমা পড়েছে ৮৩ লাখ ৯৭ হাজার ২৯৪টি। মাঠের ধারণক্ষমতার তুলনায় এই চাহিদা কয়েক শ গুণ বেশি।
বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে একই মাঠে, ২১ নভেম্বর। ফাইনালের জন্য আবেদন এসেছে ৭৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯৪৪টি। এটি এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় সবচেয়ে চাওয়া ম্যাচ।
পুরো আসরেই টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি। ১৯৩টি দেশের ভক্তদের কাছ থেকে আইসিসি ১২ কোটির বেশি আবেদন পেয়েছে। আগ্রহ জানিয়ে নাম লিখিয়েছেন ২৮ লাখ আলাদা ভক্ত।
২০২৭ সালের এই বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। ৭ অক্টোবর উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও ভারত। ২০২৩ সালের ফাইনালেরই পুনরাবৃত্তি এটি। সেবার আহমেদাবাদে ভারতকে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।
পাক-ভারত ম্যাচ ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াই। আসরের সবচেয়ে বেশি আয়ের ম্যাচগুলোর একটিও এটি। তবে সাম্প্রতিক দেখায় ভারতের দাপট স্পষ্ট। শেষ নয় ম্যাচেই জিতেছে তারা। পাকিস্তান ভারতকে শেষবার হারিয়েছে ২০২২ সালের এশিয়া কাপে।
ভারত ও পাকিস্তান আছে একই গ্রুপে। সঙ্গে আছে অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও একটি বাছাইপর্বের দল। অন্য গ্রুপে আছে ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড ও আরেকটি বাছাইপর্বের দল।
প্রতি গ্রুপের সেরা তিন দল সুপার সেভেনে উঠবে। সঙ্গে উঠবে চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলোর মধ্যে সেরাটি। সুপার সেভেনের সেরা চার দল খেলবে সেমিফাইনাল।
টিকিট ব্যালট কীভাবে কাজ করেব্যালটে নাম লেখানো বিনামূল্যে। আবেদনের সময় কোনো টাকা দিতে হয় না।
একজন ভক্ত প্রতি ম্যাচের জন্য একটি আবেদন করতে পারবেন। চাইলে তিনি একাধিক ম্যাচের জন্যও আবেদন করতে পারবেন।
এখানে আগে এলে আগে পাওয়ার নিয়ম নেই। ব্যালটের সময়ের মধ্যে যেকোনো সময় আবেদন করা যাবে। কখন আবেদন করলেন, তাতে টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে না বা কমবে না।
কোনো ম্যাচে আবেদনের সংখ্যা টিকিটের চেয়ে বেশি হলে লটারির মাধ্যমে সফল আবেদনকারী বাছাই করা হবে। সফল ও ব্যর্থ, দুই ধরনের আবেদনকারীকেই ফল জানানো হবে। নিবন্ধনের সময় দেওয়া ইমেইলে আইসিসি তা পাঠাবে।



