ব্রিটিশ পাসপোর্ট পেয়ে গেছেন। সেই পাসপোর্ট দিয়েই মোহাম্মদ আমির আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফটে নাম লিখিয়েছেন। পাকিস্তানি পাসপোর্টের পাশাপাশি ব্রিটিশ পাসপোর্ট থাকার ফলে আইপিএলে খেলার জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
তবে এই গুঞ্জনের মাঝে অবশেষে মুখ খুলেছেন পাকিস্তানি এই পেসার। আইপিএলে খেলার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। সোমবার আমির আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়ানো খবরটিকে ‘সত্য নয়’ বলে জানিয়েছেন।
বাঁহাতি এই পেসার পাকিস্তানের হয়ে ৩৬টি টেস্ট, ৬১টি ওয়ানডে ও ৬২টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। চলতি বছরের মে মাসে তিনি যুক্তরাজ্যের পাসপোর্ট পান। এতে তিনি ব্রিটিশ নাগরিক হয়েছেন।
আমিরের বয়স এখন ৩৪ বছর। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে তার চাহিদা বরাবরই বেশি। তিনি এখন ইংল্যান্ডে থাকেন। মঙ্গলবার দুবাইয়ে বসবে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফট। সেই ড্রাফটে তিনি ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। তালিকায় তার দেশ লেখা আছে যুক্তরাজ্য। বসবাসের দেশ হিসেবে লেখা আছে পাকিস্তান। তাকে রাখা হয়েছে প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে।
এই নিবন্ধনের কথা টেনে ক্রিকবাজ একটি প্রতিবেদন ছাপে। তাতে ইঙ্গিত ছিল, আমির আইপিএল ২০২৭-এর মিনি নিলামেও নাম দিতে পারেন। নিলামটি হবে ১৬ ডিসেম্বর, গোয়ায়। প্রতিবেদনে লেখা হয়, ‘এখন মনে হচ্ছে, অনেকেই যেমন আশা করছিলেন, আমির ইংল্যান্ড থেকে আইপিএল নিলামেও নাম লেখাবেন। এর আগেও এমন নজির আছে।
নজির হিসেবে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার আজহার মাহমুদের নাম। তাতে বলা হয়, ‘পাকিস্তানি নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সাবেক এই আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় আজহার মাহমুদ ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ পাসপোর্ট নিয়ে আইপিএলে খেলেছেন। তিনি কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে মাঠে নেমেছেন।
তবে খবরটি ছড়াতেই আমির দ্রুত জবাব দিয়েছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘সবাইকে বলছি, আইপিএল নিয়ে যে খবর চলছে, তা সত্য নয়। এটা পরিষ্কার করতে চেয়েছি।
আইপিএল নিয়ে আমির আগেও মুখ খুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেলে তিনি আইপিএলে খেলার যোগ্য হবেন। গত বছর জিও নিউজের ‘হারনা মানা হ্যায়’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আগামী বছরের মধ্যে আইপিএলে খেলার সুযোগ আমার হবে। সুযোগ পেলে কেন নয়? আমি আইপিএলে খেলব।



