মাঠে ফুটবলের লড়াই, নেপথ্যে কোটি টাকার বাণিজ্য। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। বল গড়ানোর আগেই আলোচনার কেন্দ্রে স্পন্সরশিপ, কমিশন আর বাণিজ্যিক স্বত্বের হিসাব। সাফ সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও মাহফুজা আক্তার কিরনকে ঘিরে তিন কোটি টাকা কমিশনের অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে বাণিজ্যিক স্বত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠান টিএসএর নেপথ্যে বাফুফের সহসভাপতিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সাফ আয়োজিত প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সালাউদ্দিন থাকতে পারছেন না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত সাফ সভাপতি সালাউদ্দিনের নিরাপত্তা ছাড়পত্র মেলেনি। আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সালাউদ্দিনকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। সেই রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীতের বিতর্কের কারণে তার উপস্থিতি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
সাফের শিরোপা পৃষ্ঠপোষক টেকনো। স্পন্সরশিপের অঙ্ক ১০ কোটি টাকা বলে সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই অর্থ থেকে তিন কোটি টাকা কমিশন নেওয়ার অভিযোগের সঙ্গে সালাউদ্দিন ও কিরন এবং বাফুফের দুই কর্মকর্তার নাম জড়িয়ে গেছে।
দীর্ঘ ১৬ বছর বাফুফের সভাপতি ছিলেন সালাউদ্দিন। বর্তমানে সাফের সভাপতি। কিরনও দীর্ঘদিন দেশের ফুটবল সঙ্গে যুক্ত। টেকনোর কাছ থেকে কত টাকা এসেছে, মধ্যস্থতাকারী কেউ কমিশন পেয়েছেন কি না এবং সেই অর্থের সুবিধাভোগী কারা, সেব্যাপারে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না কেউই।
এর মধ্যেই আলোচনায় বাফুফের এক প্রভাবশালী সহ-সভাপতি। অভিযোগ রয়েছে, টিএসএর কার্যক্রমের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি। আওয়ামী লীগ আমলে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা ও শেখ কামালের নামে আয়োজিত ফুটবল প্রতিযোগিতার ব্যবস্থাপনার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। তবে টিএসএর সঙ্গে তার ব্যবসায়িক বা আর্থিক সম্পর্কের কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি সূত্রটি।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের বক্তব্য, প্রতিযোগিতার সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা করছে সাফ। স্বাগতিক ফেডারেশন হিসেবে বাফুফে সহযোগিতা করছে মাত্র।






