রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

জাতীয়

বিমানবন্দর, মেট্রোরেল স্টেশনে বিক্রয়কেন্দ্র করতে চায় জেডিপিসি

বিমানবন্দর, মেট্রোরেল স্টেশনে বিক্রয়কেন্দ্র করতে চায় জেডিপিসি...

ম
মুনতাসির মাহমুদ· বার্তা সম্পাদক
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ পিএমসর্বশেষ: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
বিমানবন্দর, মেট্রোরেল স্টেশনে বিক্রয়কেন্দ্র করতে চায় জেডিপিসি

পাটজাত পণ্যের প্রচার ও বিক্রি বাড়াতে বিমানবন্দর, মেট্রোরেল ও রেলস্টেশনে নামমাত্র কিংবা বিনা ভাড়ায় বিক্রয়কেন্দ্র খুলতে চায় জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) পিএলসি।

বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানটি প্রচলিত পাটের ব্যবহার ছাড়িয়ে পরিবেশবান্ধব ও বৈচিত্র্যময় নতুন নতুন পাটপণ্য উদ্ভাবন, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে।

জেডিপিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিমানবন্দর, মেট্রোরেল স্টেশনসহ এ ধরনের জায়গাগুলো বাংলাদেশ ও রাজধানীর প্রবেশদ্বার। এসব জায়গায় আমরা নামমাত্র বা বিনা ভাড়ায় একটু জায়গা চাইছি।

তিনি বলেন, ‘এসব জায়গায় প্রতিযোগিতামূলক ভাড়ায় দোকান নিয়ে পাটপণ্য বিক্রি করতে গেলে পরের দিনই আমাদের দোকান বন্ধ করে দিতে হবে।

এই কর্মকর্তা বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে পাটের তৈরি পণ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে জেডিপিসি এখনো সফল হয়নি। আমাদের মূল কাজ হলো প্রচার ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা। এ দুটি জায়গাতেই পুরোপুরি পিছিয়ে আছি।সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সম্প্রতি আলাপকালে তিনি বলেন, পাট ‘ধীরগতির পণ্য’। প্রাকৃতিক আঁশ হওয়ায় প্রতিযোগী পণ্য, বিশেষ করে প্লাস্টিকের তুলনায় এর দাম কিছুটা বেশি। ভোক্তাদের কাছে এটি সহজলভ্য করতে চাইলে সরকারকে কিছু প্রণোদনা দিতে হবে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রায় এক বছর আগে বিমানবন্দরগুলোতে ১০০ বর্গফুট জায়গার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিল জেডিপিসি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, তখন মন্ত্রণালয় থেকে সাড়া মেলেনি। শুল্কমুক্ত এলাকায় জায়গাও পাওয়া যায়নি।

চলতি বছরের শুরুতে জেডিপিসির কর্মকর্তারা তখনকার বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার কাছেও একই অনুরোধ নিয়ে যান। আগস্টে তিনি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন।

পাট মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে সেখানে পাটপণ্যের জন্য জায়গা বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আরেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও যোগাযোগ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সরকার এখন এ বিষয়ে বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে, দেখা যাক কী হয়।

২০০২ সালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত জেডিপিসিতে নিবন্ধিত উদ্যোক্তা রয়েছেন ১ হাজার ১১৩ জন। তারা ২৮২ ধরনের পাটপণ্য তৈরি করছেন।

কেন্দ্রটির দুটি বিক্রয়কেন্দ্র আছে, যেখানে মাসে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

জাহিদ আরও বলেন, মেট্রোরেল বা রেল কর্তৃপক্ষকে এখনো চিঠি দেওয়া হয়নি। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমে বিমানবন্দরে জায়গা পাওয়া গেলে তাদেরকেও চিঠি দেওয়া হবে।

‘এসব পণ্য সরকার তৈরি করে না। এগুলো তৈরি করে এসএমই বা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার পণ্য বিক্রি হওয়া মানে আমাদের পণ্য বিক্রি হওয়া। যেভাবেই দেখা হোক, এসব জনবহুল জায়গায় আমাদের বিক্রয়কেন্দ্র দরকার,’ বলেন তিনি।

জেডিপিসির সহকারী পরিচালক ও কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যদি একটি মাল্টি-ভেন্ডর মার্কেটপ্লেস গড়ে তুলতে পারতাম, তাহলে দেশের উদ্যোক্তারা সেখানে পণ্য কেনাবেচা করতে পারতেন।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
ম

মুনতাসির মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক

নিউজরুম এডিটর, ডেইলি বরিশাল ডটকম। বার্তা বিভাগে অভিজ্ঞতা ৭ বছর।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ