জাতিসংঘের মহাসচিবের অধীনে অনুষ্ঠিত সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের দেশ পুনর্গঠন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য তিনটি মৌলিক স্তম্ভের কৌশল উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, এই কৌশলটি বাংলাদেশকে বিশ্বের সফল উন্নয়নের রূপকথা হিসেবে তুলে ধরতে সহায়তা করবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থাপন করা 'থ্রি-আর' কৌশলের মধ্যে প্রথম অংশটি হল রিকভারি (পুনরুদ্ধার)—যেখানে আতপর্যন্ত প্রাক-মহামারী ও মহামারীর পরবর্তী অর্থনীতিক ও সামাজিক ক্ষতি মেরামত করা হয়। দ্বিতীয় অংশ হল রিসিলিয়েন্স (টেকসইতা)—যা potential ভবিষ্যৎের সঙ্কট বা বিপদ মোকাবিলার জন্য দেশকে প্রস্তুত করে তোয়াৎ। তৃতীয় ও শেষ অংশ হল রিফর্ম (পুনর্গঠন)—যা দেশের প্রতিষ্ঠাত্মক গঠন ও প্রাথমিক সংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক আধারগুলোকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য করে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ মহামারীর পরবর্তী অর্থনীতিক ও মানবজীবনের মাত্র ১.২ শতাংশ প্রভাবিত হয়েছিল, যা বিশ্বের গড় চারগুণ কম। এই সফলতাকে কেন্দ্র করে দেশটি নিজস্ব অগ্রণী পদ্ধতিতে তিনটি 'আর' কৌশল বিকাশ করেছে, যা বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন ও টেকসই লক্ষ্য অর্জনে এক মডেল হিসেবে কাজে লাগু হচ্ছে।
জাতিসংঘে এই উপস্থাপনীয় কৌশলে জাতিসংঘ মহাসচিব ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রশংসা পায়। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ ভবিষ্যৎে আরও গভীর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সহযোগী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে এই কৌশলটি শেয়ার করে উন্নয়ন ও টেকসই পুনর্গঠন নিশ্চিত করতে চায়।
এই তিনটি 'আর' কৌশল শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপক হিসেবে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের ভূমিকা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে দেশটিকে একজন নেতৃত্বী ও টেকসই উন্নয়নকারী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত করেছে।



