বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল নেশনস লিগে তাদের মিশন শুরু করল ওয়েলসকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন জয়গোলজয়ী শটে জোয়াও ফেলিক্স। তবে এই রাত্রিতে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো — যদিও তিনি গোল করতে পারেননি, তবু অফসাইডের কারণে তার গোল বাতিল হয়ে গেছে।
২০১৮ সালে এই প্রতিযোগিতা চালু হওয়ার পর থেকে চারটি ফাইনালের মধ্যে দুটিতে শিরোপা জিতেছে পর্তুগাল। তবে জুলাই মাসে বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে শেষ ষোলোতে হেরে ছিটকে যায় তাদের। এই হারের পর থেকে পর্তুগাল আবারো শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে এসেছে, যেখানে কোচ জর্জ জেসুসের নেতৃত্বে প্রথম ম্যাচে বল দখলে আধিপত্য বিস্তার করে।
ফেলিক্সের গোল, রোনালদোর আফসোস
লিসবনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পর্তুগাল ১৯টি শট নিয়েছিল, যা ওয়েলসের তুলনায় বেশি ছিল। তবে সুযোগগুলো বাড়িয়ে গড়ে তুলতে পারেনি পর্তুগাল। ২২ মিনিটে আসে তাদের একমাত্র গোলটি — বক্সের ধার থেকে নেওয়া ফেলিক্সের নিচু শট সামান্য দিক পরিবর্তন করে ওয়েলস অধিনায়ক বেন ডেভিসের গায়ে লেগে দূরের পোস্টের ভেতর দিয়ে জালে ঢুকে যায়। গোলরক্ষক ড্যানি ওয়ার্ডের মরিয়া ঝাঁপও কাজে লাগেনি।
একই ম্যাচে রোনাল্ডো ওয়েলসের জালে বল পাঠান কয়েকবার, তবে অফসাইডের সিদ্ধান্তে তা বাতিল হয়ে যায়। একবার সাইড নেটে বল মেরেছিলেন তিনি, আরেক বার অসহায় অবস্থায় থাকলেও লুইস কৌমাস এবং ড্যান জেমস দুজনেই ফিরতি বলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত কৌমাসের নেওয়া দুর্বল শট গোললাইনে দাঁড়ানো ডিফেন্ডার রুবেন দিয়াসের গায়ে লেগে প্রতিহত হয়। রোনাল্ডো ম্যাচ শেষ হওয়ার পর মাঠ ছাড়ার পর দর্শকদের চিৎকারও কমে যায়।
ফেলিক্সের সন্তৃপ্তি ও ভবিষ্যৎর আশা
ম্যাচ শেষে ফেলিক্স বলেছেন, ‘প্রথমার্ধেই আমরা ১৩টি শট নিয়েছি, যা অনেক বেশি। তাদের একটাও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে মনে করতে পারছি না, অথচ আমাদের ছিল বেশ কয়েকটি। আমাদের কাছ থেকে এমনটাই প্রত্যাশা করা যায়। আজ আমরা মাত্র একটি গোল করেছি, তবে এভাবে খেলা চালিয়ে গেলে আরও গোল আসবে।’ তার কথায় বলা যায় যে পর্তুগাল আগের মতোই আক্রমণভাগ থেকে গোল পেতে পারে, যদি শটের বেশি অংশ জালে ঢুকে যায়।
-6ab5f28a62279.jpg)


