বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সামসুদ্ধিন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীকে গণপরিষদে অংশগ্রহণ ও উদাহ্যোত্তর দেশের প্রতি অগ্রসর হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই অভিনন্দন প্রদানের সময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐক্য ও সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
গণপরিষদে ঐতিহাসিক ভূমিকা
গণপরিষদে অংশগ্রহণকারী প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশটির উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে একটি নতুন চিত্র উপস্থাপন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মতো অন্যান্য দেশের সঙ্গেও গভীর সহযোগিতা গড়ে তুলতে চান। এই সহযোগিতার মাধ্যমে অঞ্চলীয় শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার লক্ষ্য পূরণ হবে।
রাষ্ট্রপতি সামসুদ্ধিন আরও উল্লেখ করেছেন যে, গণপরিষদ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক সম্পর্কের গভীরতা প্রদর্শন করে। এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। বাংলাদেশ সরকারও এই সহযোগিতাকে আরও সম্প্রসারণ করতে আগ্রম হবে।
এদিকে, গণপরিষদে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নেতৃত্বকর্তারা একমত হয়েছেন যে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সহযোগিতা অঞ্চলীয় উন্নয়নের জন্য একটি মডেল। এই সহযোগিতা ভবিষ্যৎ প্রজন্যের জন্য একটি ভালো ভিত্তি তৈরি করবে।
শেষ বার্তায়, রাষ্ট্রপতি সামসুদ্ধিন বলেছেন যে, বাংলাদেশ সর্বদা শান্তি ও সহযোগিতার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কে একটি নকশা তৈরি করবে। গণপরিষদের মতো আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের গৌরব ও গর্বের বিষয়।



