ঝিনাইদহের নতুন হাটখোলা জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত সংবাদ সংলাপে তিনি বলেন, জামায়াত এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে পুরোনো প্রেম ও সম্পর্ক রয়েছে এবং সেই সম্পর্ক আবার জাগ্রত হয়েছে বলে মানুষ মনে করছে।
রাশেদ খান দাবি করেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপি সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়েছে। তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের গুম ও হত্যার শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, এমন পূর্বপর্যায়ের অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও বিএনপি কীভাবে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে চায়। তবে এই বক্তব্যগুলো তাঁর দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; সংবাদটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য বা স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তথ্য রয়েছে কি না, তা উল্লেখ করা হয়নি।
আওয়ামী লীগের অন্য নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খান বলেন, জামায়াত ও এনসিপির সভা-সমাবেশে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না এবং জামায়াতের নেতা নির্বাচনের প্রশ্নে নীরব ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর মতে, একটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা হটানোর পরও অন্য একটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হচ্ছে কি না, এ বিষয়ে গণতান্ত্রিক চর্চার প্রশ্ন উঠছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাস সময়কে তিনি উল্লেখ করে বলেন, এই সময়ে পুরোনো ব্যবস্থা ভেঙে বাংলাদেশপন্থি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে জামায়াত হাত মিলিয়ে নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা না করার বিষয়টিও তিনি সমালোচনা করেন। এছাড়া নির্বাচন যদি ইঞ্জিনিয়ারিং হয়ে থাকে, তবে তা জামায়াত ও এনসিপির পক্ষে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
রাশেদ খান একটি দলের আগের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৮টি আসন এবং পরবর্তী নির্বাচনে ৭৭টি আসন পাওয়ার পার্থক্যের দিকে দৃষ্টি আর্কষণ করে জিজ্ঞেস করেন, এই বৃহত্তর পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব হলো। তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াতের আমির ও নাহিদ ইসলাম জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদায় গেছেন কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে। সংবাদ সংলাপে জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মজিদসহ স্থানীয় নেতারা রাশেদ খানের সঙ্গে ছিলেন।

-6ab63c72d2471.jpg)
-6ab66959b519a.jpg)

