শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

রাজনীতি

হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে হাতিয়ায় বিএনপি-এনসিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৮

নোয়াখালীর হাতিয়ায় সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে উভয়পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। ঘটনার বিভিন্ন দিক নিয়ে পক্ষগোষ্ঠীর পাশাপাশি প্রশাসনের কর্তারা তদন্ত ও নিয়ন্ত্রণের কথা জানিয়েছেন।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১২ পিএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১২ পিএম
হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে হাতিয়ায় বিএনপি-এনসিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৮

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাতিয়া উপজেলা পরিষদের মূল ফটকের সামনে বিরোধ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটলেও তা কীভাবে শুরু হয়েছে, তা নিয়ে দুই পক্ষই ভিন্নভাবে বক্তব্য দিয়েছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

উপজেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন হান্নান মাসউদ। ভবনের প্রবেশমুখে পৌঁছানোর পর সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করে থাকা ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র বাক্যালাপ শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ করতে হয়।

এনসিপির উপজেলা আহ্বায়ক শামসুদ্দিন তিবরিজ ঘটনিকে সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ও পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, বিনা উসকানিতে ছাত্রদল ও যুবদলের ক্যাডাররা এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছেন। অন্যদিকে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হায়দার চৌধুরী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের বক্তব্যেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, দলের কোনো নেতাকর্মী সংঘর্ষের পূর্ব নির্দেশনা বা হামলার পরিকল্পনা পাননি।

হান্নান মাসউদ অবশ্য দাবি করেছেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে যাওয়ার পথে বিএনপির লোকজন পথরোধ করে হট্টগোল সৃষ্টি করে এবং পরে মারমুখী আচরণে প্রবেশে বাধা দেয়। তাঁর আখ্যানে, সংঘর্ষের সময় বিএনপি কর্তার একটি ছোঁড়া তাঁর ঘাড়ে আঘাত করে। এই অভিযোগের বিপরীতে বিএনপির পক্ষ থেকে সংঘর্ষের পূর্বে কোনো পরিকল্পিত হামলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানান, সংসদ সদস্য সভাস্থলে প্রবেশের সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবেশ শান্ত করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল বলেন, উপজেলা পরিষদ গেটে দুপক্ষের উপস্থিতির কারণে ধাক্কাধাক্কি ও উচ্চবাচ্য হয়। পরে প্রশাসনের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং সংসদ সদস্যকে নিরাপদে সভায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ