দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির দম্পতি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা বিয়ের পর প্রথমবারের মতো একই বড়পর্দায় পা রাখতে চলেছেন। বাস্তব জীবনের এই জোড়া নতুন করে জুটে বাঁধছে আসরণ-পর্দায়—আসন্ন ‘রানাবালি’ সিনেমার মাধ্যমে। মুক্তির ঠিক আগমুহূর্তে ছবিটি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে উত্তরণ হয়েছে।
স্টোরিতে ‘ক্রাশ’র স্বীকারোক্তি
সদ্য সিনেমার ‘এন্ধাইয়া সামি’ গানের একটি ক্লিপ ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন রাশমিকা। সেখানে বিজয়ের প্রতি নিজের ভালো লাগার কথা প্রকাশ করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘এটা ভাবতেই অবাক লাগে যে, সে পুরোপুরি আমার। তবু তার প্রতি ক্রাশ খাওয়া আমি থামাতে পারি না।’ গানের ক্লিপসহ তাঁর এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত আলোচনায় পরিণত হয়।
রাশমিকার পোস্টের উত্তর দেন বিজয়। তিনি লেখেন, ‘আমি আশীর্বাদপুষ্ট। আমি জয়াম্মাকে মিস করব। তবে তোমাকে তো সারাজীবনের জন্য পেয়েছি।’ অভিনেতার এই বক্তিটি পারদর্শনীয় চরিত্রের সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রকাশ্য ‘ক্রাশের’ রসায়নকে মিশিয়ে দিয়েছে। ফলে পর্দা ও বাস্তব জীবনের মাঝকার এই প্রেমপত্র সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
ঐতিহাসিক দুর্ভিক্ষের পটভূমি
‘রানাবালি’ সিনেমায় বিজয় দেবেরাকোন্ডা অভিনয় করেছেন নাম-ভূমিকায় রানাবালি চরিত্রে। অন্যদিকে রাশমিকা মান্দানাকে দেখা যাবে রানাবালির সংগ্রামের সঙ্গী জয়াম্মা হিসেবে। ছবিটির গল্পের পটভূমি ভারতের ইতিহাসের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষপূর্ণ একটি অধ্যায়—১৮৭৬ থেকে ৭৮ সালের মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষ।
আইএমডিবির তথ্যানুযায়ী, ১৮৭০-এর দশকে দক্ষিণ ভারতে দুর্ভিক্ষ চরম আকার ধারণ করলে এক বিদ্রোহী যোদ্ধা ব্রিটিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন এবং নিজের অঞ্চল ও মানুষের সুরক্ষার লক্ষ্যে এগিয়ে আসেন। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে অভিনেতা-অভিনেত্রীর প্রেমময় বাস্তবতাকে মিশিয়ে সিনেমায় নতুন একটি আবেদনময় গল্প তৈরি হয়েছে। মুক্তির পর দর্শকদের মধ্যে ছবির বাণিজ্যিক ও সামাজিক বার্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে বলে আশা করছেন চলচ্চিত্রজগৎ।
-6ab8aac5668ab.jpg)


