ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিনেতা ও কবি রিফাত চৌধুরীর পাশে দাঁড়ানোর দাবি করেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। জায়েদ দাবি করেন, সিনিয়র শিল্পী রিফাতের বিপদের সময় সহকর্মী হিসেবে তাঁর পাশে থাকা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসায় সহায়তা করা উচিত। এর ধরনে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পরও বিষয়টি নিয়ে দুই শিল্পীর পরস্পরবিরোধী বক্তব্য সামনে এসেছে।
রিফাত চৌধুরী জায়েদ খানের দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, জায়েদ তাঁকে কোনো আর্থিক সহায়তা করেননি। রিফাতের ভাষায়, জায়েদ নিজের সহায়তা করেছেন—এ ধরনের কথা সত্য নয়। তবে একই সঙ্গে এমন খবর কীভাবে বা কারা প্রকাশ করছেন, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
এই প্রসঙ্গে রিফাত জায়েদকে ‘অসৎ’, ‘প্রতারক’ ও ‘অসম্ভব বাজে’ বলে উপস্থাপিত করেছেন। তাঁর বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তিনি জায়েদের সহায়তার দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর বলে মনে করছেন। একই সঙ্গে তিনি এই ধরনের সংবাদ প্রকাশের উৎস কে এবং কীভাবে—সে বিষয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
জায়েদের দাবি: সহকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন
জায়েদ খান বলেছেন, রিফাত চৌধুরী তাঁদের সিনিয়র শিল্পী। তাই বিপদের সময় তাঁকে পাশে দাঁড়ানো সহকর্মীদের দায়িত্ব। জায়েদের ভাষায়, একজন শিল্পীর দুঃসময়ে পাশে থাকলে তাঁর মনোবল বাড়ে। তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রিফাতের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন এবং অন্য সহকর্মীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
শাহরিয়ার নাজিম জয়ের ফেসবুকে প্রশ্ন
এই বিতর্কে ফেসবুকে মন্তব্য জানিয়েছেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। জায়েদ ও রিফাতের কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি লিখেছেন, ‘সাহায্য করলে ভালো। না করলেও দোষের কিছু না। কিন্তু নিউজ কেন হচ্ছে? কোথায় ঝামেলা?’ জায়েদকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেছেন, তাঁকে দিয়ে এক সপ্তাহ ব্যস্ত থাকতে হবে।
জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা’ গানের নিখিলেশ, সুজাতা ও রমা রায়ের প্রসঙ্গও এসেছে। তবে তিনি মূলত রিফাত ও জায়েদের মধ্যে চলে আসা দাবি-অস্বীকারের বিষয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। সামগ্রিকভাবে ঘটনাটি এখন শোবিজ অঙ্গনে বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে; বর্তমানে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে কে ঠিক এবং কে ভুল, তা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।





