বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তাদের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংএর সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছে। সভায় উঠোন করা হয়েছে যে, দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ফের ভরিতে ১ হাজার ৬৯ড় টাকা বাড়িয়েছে। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। নতুন দামটি সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে এই নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে আন্তর্জাতিক স্বর্ণের দামের সঙ্গে এই ধরনের স্থানীয় কারকগুলোর প্রভাব বেশি থাকে। তাই বাজুস সংশ্লিষ্ট সদস্যদের ওপর পরামর্শ জানিয়ে গুছিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভ্যাট ও মজুরির নিয়ম পরিবর্তন
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অর্থাৎ, গ্রাহককে অতিরিক্ত কোনো ট্যাক্স দিতে হবে না।
বাজুস আরও জানিয়েছে, পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এই নিয়মগুলো আগে থেকে যুক্ত ছিল বলে বিশেষ কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে নতুন মূল্য প্রযোজ্য হওয়ার পর এই শতাংশগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে।
এদিকে, বাজুসের এই সিদ্ধান্তটি গ্রাহকদের ও জুয়েলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। কারণ স্বর্ণ ও রুপার অলংকার বাংলাদেশী সমাজের অগ্রাধিকার পাওয়া একটি জিনিস। তাই মূল্য পরিবর্তন নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। আশা করা যায় যে, নতুন মূল্য ও নিয়মগুলো গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের সঠিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে।


