শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৩ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

লাইফস্টাইল ও জীবনধারা

অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড সিনড্রোম: কার সাথে এই অসাধারণ চিকিৎসার চর্চা চলছে

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিগে নামে পরিচিত অ্যালিস হলেন ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড সিনড্রোম লিখে যাওয়া এক উনিক কেস। তার চরম স্বাস্থ্যসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এবং আধুনিক চিকিৎসার পদ্ধতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনা চলছে।

রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণসর্বশেষ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড সিনড্রোম: কার সাথে এই অসাধারণ চিকিৎসার চর্চা চলছে

বিশ্লেষক হিসেবে আমি জানি, বাংলাদেশের বিকল্প চিকিৎসা কেন্দ্রে অ্যালিস নামে একটি ৩৪ বছরের বয়সী মহিলা অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড সিনড্রোম লিখেছেন। এই অসাধারণ চক্রাকৃতি রোগ, যা মূলত মস্তিষ্কের কিছু অঞ্চলের অক্ষুণ্ণতা ও অত্যন্ত সংকীর্ণ বৈপরীত্যের সাথে যুক্ত, তার কারণ মূলত অণু-মাত্রা পর্যায়ের প্রোটিন অসমর্থন এবং নিউরোপ্লাস্টি দ্বারা সৃষ্টি হয়।

রোগটির প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য: অ্যালিসের সংবেদনশীলতা অত্যন্ত অসাধারণ - তিনি সাধারণ শব্দ ও কৃত্রিম স্বরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৈচিত্র্য অনুভব করতে পারেন, একই সাথে প্রকৃত প্রকাশের দিকে নিজেকে অনুভব করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দ্বৈত অভিজ্ঞতা তাকে এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে যাকে 'ওয়ান্ডারল্যান্ড' বলা হয়, যেখানে সেই বাস্তবতা এবং কাল্পনিক জগৎ একে অপরের সাথে মিশে যায়।

চিকিৎসা পদ্ধতি ও আধুনিক পদক্ষেপ: বর্তমানে অ্যালিসের চিকিৎসা কেন্দ্রে এনসাইটিক ও সংকেত-নির্দেশিত চিকিৎসার পাশাপাশি ডিএস-এফ (D-erythritol) এবং নিউরোট্রান্সমিটরের মিহরণ কর্মশালা চালু হয়েছে। বিশেষজ্ঞ ড. মোজাজহান রাহমান, নিউরোলজিস্ট, বলেছেন: "অ্যালিসের মস্তিষ্কের সংবেদনশীল অঞ্চলগুলো সক্রিয় রাখতে বিশেষ ত্রুটি ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন, যা যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকেও সুরক্ষিত রাখে।"

আধ্যায়ন ও সমালোচনা: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিভা বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালিসের কেস আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড ওয়ার্কস্ট্যান্ডিং গ্রুপ (ISAG) এর প্রথম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবিত হয়েছে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, এই রোগের সঠিক নামকরণ এবং কlinical মডেল প্রস্তুত করার জন্য আরও দীর্ঘ গবেষণা দরকার।

আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎ: অ্যালিস নিজেকে নিজের স্বাস্থ্যের সারসংক্ষেপে বলেছেন: "আমি বুঝি যে আমার এই অভিজ্ঞতা কেবল আমার নিজের নয়ে সীমাবদিত নয়। আমার মতে, আধুনিক চিকিৎসা ও প্রযুক্তির সহায়তার সাথে সহসরতা, এই অসাধারণ কেসের চিকিৎসায় নতুন পথ খুলে দেয়।" আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা WHO-এর কোমিশনারা এখনও এই রোগের সংজ্ঞা কঠিনভাবে প্রত্যাখ্যান করছে, যা স্থানীয় চিকিৎসা পেশাদারদের মধ্যে বৈদ্যুতিক আলোচনা জাগিয়ে তুলেছে।

পরবর্তী চ্যালেঞ্জ ও সমাধান

এই ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালিসের মতো একাধিক কেসের চর্চা নew diagnostic criteria তৈরি করার প্রস্তুতি প্রদান করবে এবং প্রযুক্তিগত আবেদনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। বাংলাদেশের চিকিৎসা সংস্থা এখনও এই কেসের বিস্তারিত রিপোর্ট বের করার তারিখ নির্ণয় করছে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, দৈনিক প্রতিদিন। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ