শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

অর্থনীতি ও বাণিজ্য

চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রোডম্যাপ তৈরিতে নেওয়া হবে অংশীজনদের মতামত

চামড়া ও পাদুকা খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ তৈরির কাজ চলছে। খসড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে ট্যানারি মালক, প্রস্তুতকারক, ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হবে।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২২ এএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২২ এএম
চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রোডম্যাপ তৈরিতে নেওয়া হবে অংশীজনদের মতামত

চামড়া ও পাদুকা শিল্পের সমস্যা চিহ্নিত করে দেশীয় বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ তৈরি করছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে রোডম্যাপের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিক যাওয়ার কথা বলেছেন বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান।

রাজধানীর কুড়িলে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত ‘দশম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, চামড়া শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শিল্পটির জন্য কর্মমুখী রোডম্যাপ তৈরির কাজ চালাচ্ছে।

রোডম্যাপ তৈরিতে খাতটির বাস্তব অভিজ্ঞতা ও চাহিদা অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাণিজ্য সচিব বলেন, ট্যানারির মালক, চামড়া প্রস্তুতকারক, ব্যবসায়ী, প্রযুক্তিবিদ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজনের মতামত ও অভিজ্ঞতা বিবেচনা করা হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে চামড়া প্রযুক্তির শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে ট্যানারি মালক ও উদ্যোক্তাদের কার্যকর মেলনকঠামোর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। বিষয়টি রোডম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা নেওয়া হচ্ছে।

দেশীয় বাজারে চামড়াজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেছেন বাণিজ্য সচিব। তাঁর মতে, দেশে চামড়ার কাঁচামাল পাওয়া যায় এবং প্রযুক্তিবিদদের সক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা ও মানদণ্ড পূরণে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দিতে হবে। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের কাঠামো এবং জাতীয় ট্রেসেবিলিটি কাঠামো তৈরির কাজ চালাচ্ছে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতের জন্য পৃথক ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার পাশাপাশি জুতা, ভ্রমণব্যাগ, বেল্ট ও মানিব্যাগ রপ্তানি হচ্ছে এবং চামড়া দিয়ে তৈরি বিভিন্ন শৌখিন পণ্যেরও চাহিদা রয়েছে। দেশে প্রতিবছর আনুমানিক ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হয়, যার বেশির ভাগ রপ্তানি করা হয়। চামড়া প্রধানত ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে রপ্তানি হয়। দেশে প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম দেশ।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ