প্রায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশব্যাপী ডেঙ্গে রোগের চর্চা তীব্রভাবে বাড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে নতুন ৭ জনের ডেঙ্গে জ্বরে প্রাণহানি ঘটেছে, যা রোগের ভয়াবহতা আরও একবার সামনে আনেছে।
হাসপাতালে নিবিড় চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে
এই সময়ে ১,৫৯৩ জন ডেঙ্গে রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দিচ্ছে, যার কারণে হাসপাতালগুলোর নিবিড় চিকিৎসা বিভাগে চাপ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় মৌসুমি পরিবর্তনের সময় এ ধরনের রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা দেন সতর্কতামূলক পরামর্শ
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গে রোগ প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো পরিপক্ব মাছ পোকা ও অন্যান্য প্রজাতির মাছ জন্মানো জলের স্থানগুলো থেকে জল সরিয়ে দেওয়া এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, যাদের শরীরের জ্বর কমপক্ষে দুই দিনের বেশি থাকে, খিঁচুনি আসে বা শিরা ও পেটে ব্যথা হয়, তাদের তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে যেতে হবে।
সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও একত্রিত হয়ে সচেতনতামূলক অভিযান চালানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে জনসাধারণের মধ্যে ডেঙ্গে প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব হয়। নিয়মিত পানি পরিষ্কার করা, প্রতিরোধমূলক মজ্জা প্রয়োগ এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণই এখনই জীবনরক্ষার সবচেয়ে নিরাপদ পথ।




