বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১লা আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

জাতীয়

মালদ্বীপের পর এখন ভ্রমণপিপাসুদের নতুন স্বপ্নের গন্তব্য ইন্দোনেশিয়ার রাজা অ্যাম্পাত

মালদ্বীপের ব্যয়বহুল পরিবেশ থেকে মুক্তি পেতে বিশ্বব্যাপী পর্যটকরা এখন ইন্দোনেশিয়ার রাজা অ্যাম্পাত দ্বীপপুঞ্জের দিকে মুখ ফিরিয়েছে, যেখানে অদ্ভুত সমুদ্রীয় জীববৈচিত্র্য ও বর্জনীয় সৌন্দর্য একসাথে পাওয়া যায়।

রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণসর্বশেষ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
মালদ্বীপের পর এখন ভ্রমণপিপাসুদের নতুন স্বপ্নের গন্তব্য ইন্দোনেশিয়ার রাজা অ্যাম্পাত

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সৈলানির গন্তব্যের তালিকায় দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের বিকল্প হিসেবে আজকাল ইনডোনেশিয়ার রাজা অ্যাম্পাত (Raja Ampat) দ্বীপপুঞ্জটি উঠছে সার্বিকভাবে। পশ্চিম পাপুয়া প্রদেশে অবস্থিত এই ১,৫০০ কওয়াড্রাট কিলোমিটার বিস্তৃত দ্বীপপুঞ্জে ১,৫০০ এরও অধিক ছোট বড় দ্বীপ রয়েছে, যেকোনো মানুষের মন হরার জন্য যথেষ্ট।

অসাধারণ সমুদ্রীয় জীববৈচিত্র্যের রাজ্য

রাজা অ্যাম্পাতকে বিশ্বের 'সমুদ্রীয় জীববৈচিত্র্যের হৃদয়' হিসেবে স্বীকৃত করা হয়। কোরাল ট্রায়্যাঙ্গেল অঞ্চলে অবস্থিত এই জলক্ষেত্রে বিশ্বের ৭৫% কোরাল প্রজাতি, ১,৫০০টিরও অধিক মাছের প্রজাতি এবং অসংখ্য সমুদ্রীয় প্রাণীর আশ্রয়স্থল রয়েছে। স্নর্কেলিং বা ডাইভিং করে এখানে সমুদ্রের নিচের রঙিন জগত দেখতে পাওয়া যায়, যা মালদ্বীপেও সুলভ নয়।

বর্জনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও শান্ত পরিবেশ

মালদ্বীপের ব্যস্ত রিসোর্ট ও ভিড়বোঝা সমুদ্রতীরের বিপরীতে রাজা অ্যাম্পাতে প্রায় বর্জনীয় দ্বীপ, শ্বেত বালির সমুদ্রতীর, কিংবদন্তির মতো পরিষ্কার নীল জল এবং উষ্ণকটিবन्धী বন্য বন রয়েছে। এখানে বড় বড় লাক্সারি রিসোর্টের পরিবর্তে ছোট ছোট ইকো-রিসোর্ট ও হোমস্টে বেশি, যা প্রকৃতির সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়।

বাংলাদেশি পর্যটকদের আগ্রহ বেড়েছে

গত দুয়েক বছরে বাংলাদেশ থেকে এই দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ট্রাভেল এজেন্সি মালিকরা বলেন, মালদ্বীপের তুলনায় কম খরচে আরও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা পাওয়া যাওয়ার কারণে পরিবার ও দম্পতিগণ রাজা অ্যাম্পাতকে পছন্দ করছেন। জাকার্তা বা মকাসসার থেকে সোরং volo পাওয়া যায়, তারপর বোটে দ্বীপপুঞ্জে যেতে হয়।

ধারনাবহুল পর্যটনের উদাহরণ

ইন্দোনেশিয়া সরকার ও স্থানীয় সমुदায় মিলে রাজা অ্যাম্পাতকে ধারনাবহুল পর্যটনের মডেল হিসেবে গড়ে তুলেছে। এখানে প্লাস্টিক নিষেধ, কোরাল সংরক্ষণ ও স্থানীয় মানুষের আয়বৃদ্ধির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পর্যটকরা এখানে আসার সময় পরিবেশ সংরক্ষণের নিয়মাবলী মানতে হয়, যা এই অঞ্চলের অক্ষুণ্ণ সৌন্দর্য রক্ষায় সাহায্য করছে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, দৈনিক প্রতিদিন। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ