গত মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে দেশে ডেঙ্গু রোগের কারণে ৭জন রোগী মৃত্যু প্রাপ্ত হয়ে গেছে। এই আগামি ২৪ ঘণ্টার সময়যাত্রায় ১,৫৯৩ জন দেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা প্রশাসনের কাছে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দ্য ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সপ্তাহের মোট আকার ঘটনা ১,৫৫৬৩ জনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে ১,৪৬৩ জনের মৃত্যু ও ১,৫৯৩ জনের হাসপাতাল ভর্তি। এছাড়াও ৫০০০+ জন রোগী বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি হয়েছেন এবং সরকারি হাসпাতালের পাশাপাশি নির্যাতন কর্মীদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা পাওয়ার প্রয়োজন हচ্ছে।
বিভাগ অনুযায়ী ভর্তি অবস्थান:
বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৮৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩২ জন, খুলনা বিভাগে ২৯০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩৭ জন, রংপুর বিভাগে ৬৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।
এই বিবরণ অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ভর্তির হিসাবে দেখা যাচ্ছে যার পরিধি ৩৮৩ জনের পর্যন্ত যাওয়া গেছে। এই সমস্যার মূল কারণ হলো উষ্ণ তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং যন্ত্রণা করা পানীয় জল ও গাছের পাতায় টিকে থাকা মস্তিষ্কের মাছের মাধ্যমে ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রসার, যা দেশের বৃহৎ নগরাঞ্চলে বিশেষভাবে দুর্বল করে তুলছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান মশাবাহিতা জি. সুফুরদ্দুল্লাহর মতে, নিরস্ত্র রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারছে কারণ অনেকে দেঙ্গু টিকা না লেব্যায় করেছে। রোগের মানসিক অবস্থা নিয়ে দ্রুত বিশেষজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া সম্ভব হবে যাতে সংকট দ্রুত বর্তমান করা যায়। মৃতুরতা হার কমাতে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা সংশোধন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন।




