আফ্রিকান নেশন্স কাপের বাছাইপর্বের শুরুতে অ্যাঙ্গোলার বিরুদ্ধে গোলশূন্য ডরে মাঠ ছেড়েছে মিশর। বল দখলে স্বাগতিকরা বারবার এগিয়ে থাকলেও অ্যাঙ্গোলার শক্তিশালী রক্ষণভাঙ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের জয় আনতে দেনি। ম্যাচে টাচলাইনে উত্তেজনা ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ছায়া থাকলেও শেষ পর্যন্ত মোটামুটি ফলাফলই পেয়েছে দলটি।
জিকোর গোল রইল অবৈধ
ম্যাচের ২২ মিনিটে মিশরের বিপজ্জনক আক্রমণে গোল করেন মোস্তফা ‘জিকো’। তবে বল গোলে পৌঁছানোর আগে তার অবস্থান অফসাইড থাকায় গোলটি বাতিল করেন রেফারি। সিদ্ধান্তের ফলে মিশর এগিয়ে যায়নি এবং পরের সময়েও আর কোনো গোল করতে পারেনি। এ নিয়ে মাঠে সমালোচনার সঙ্গে সঙ্গে টাচলাইনে কিছু উত্তেজনাও দেখা গেছে।
সিসের ‘এক্স সাইন’ নিয়ে বিতর্ক
তবে ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত ছিল অ্যাঙ্গোলার সেনেগালিজ কোচ আলিও সিসের বেঞ্চে বসে দেখানো ‘এক্স সাইন’। রেফারির সামনে দুই হাত ক্রস করে তোলার এই অঙ্গভঙ্গি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সিসের অঙ্গভঙ্গি ছিল ২০২৬ বিশ্বকাপে মিশরের বিশ্বকাপ ছাড়ার পরের দিকের ঘটনার প্রতিধ্বনি। সেই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের কোচ হোসাম হাসান একই রকম ‘এক্স সাইন’ করেছিলেন বিপক্ষকে অবসম্ভান করার ইঙ্গিতে। ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনা তৃতীয় গোল করে ৩-২ ব্যবধানে জয় লাভ করে এবং মিশর বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়।
পুরোনো বিতর্কের নতুন রূপ
হোসাম হাসানের সেই অঙ্গভঙ্গিকে অনেকে মিশরের কোচিং স্টাফ ও কায়রো স্টেডিয়ামের দর্শকদের প্রতি ইচ্ছাকৃত খোঁচা হিসেবে দেখেছিলেন। এবার অ্যাঙ্গোলার কোচ সিসে একই রীতি অনুসরণ করায় সেই পুরোনো প্রশ্ন নতুন করে তোলা উঠেছে। তবে বিতর্কের মূলে রয়েছে ম্যাচে বাতিল হওয়া জিকোর গোল, যা মিশরের জন্য আরেকটি হতাশার উপলক্ষ হয়ে রয়েছে।


