প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান একটি সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিলের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে খতিয়ে দেখার সংকল্প প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রশ্ন করার কারণে কার্ড বাতিল নয়: উপদেষ্টা
এ ইস্যুতে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান স্পষ্টভাবে বলেন, বিষয়টি তিনি ব্যক্তিগতভাবে খতিয়ে দেখবেন। সরকারকে প্রশ্ন করার কারণে অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে এমন ধারণার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশ্ন করার কারণে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না। তিনি জানান, ওই সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড কেন বাতিল করা হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে জানার জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে তদন্ত করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপতথ্যের ক্ষেত্রে সরকারের সহনশীলতা
উপদেষ্টা আরও জানান, সাংবাদিকরা প্রতিদিন সরকারকে বিভিন্ন প্রশ্ন করছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রেও সরকারের সহনশীলতা রয়েছে। তিনি বলেন, ছয় মাসের একটি তথ্য অনুযায়ী ৪৬৪টি বড় ধরনের অপতথ্যের মধ্যে ১৫৭টির লক্ষ্যবস্তু ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি সেই সাংবাদিকের কার্ড বাতিলের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিতে অপারগ থাকেন।
'স্যার' বলা বাধ্যতামূলক নয়: জাহেদ উর রহমান
সরকারি সেবা নিতে গিয়ে 'স্যার' না বললে কর্মকর্তাদের অসন্তুষ্ট হওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কাউকে 'স্যার' বলায় কোনো সমস্যা নেই। যে কেউ যেকোনো মানুষকে 'স্যার' বলতে পারেন। কিন্তু এটিকে সেবা পাওয়ার শর্তে পরিণত করা অত্যন্ত ভয়ংকর বিষয়। তিনি জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঘোষণাই আছে যে সরকারি কর্মকর্তাদের 'স্যার' বলা যাবে না এবং এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। তবে শুধু আইন বা নির্দেশনা দিয়ে এ ধরনের মানসিকতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এই যে আলাপটা হচ্ছে, এই আলাপটা হোক, আস্তে আস্তে আমাদের মানসিকতা একটু পাল্টাক, এটা একটু আশা করি পাল্টাবে।





