সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

সারাদেশ

পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে মারধর, কেটে দেওয়া হলো চুল

পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে মারধর, কেটে দেওয়া হলো চুল...

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৯ পিএমসর্বশেষ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে মারধর, কেটে দেওয়া হলো চুল

চেক টি-শার্ট পরিহিত অপর এক যুবক ধারালো কাঁচি দিয়ে চুল কাটতে থাকেন। এ সময় নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য ওই নারী আর্তচিৎকার করতে থাকলেও নির্যাতন চলতে থাকে।

ফরিদপুরে পরকীয়ার অভিযোগে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ওই নারী আর্তচিৎকার করতে থাকলেও নির্যাতন চালান দুই যুবক। এমনই একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিযানে নেমেছে প্রশাসন। এ ঘটনার ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড ও ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

রোববার (১২ অক্টোবর) বিকালে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেপারীডাঙ্গী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। নির্যাতনের শিকার নারী ওই গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মো. জলিল মোল্যা।

তে দেখা যায়, ওই নারীকে একটি চেয়ারে বসিয়ে নির্যাতন করা হয়। এ সময় কালো টি-শার্ট পরিহিত এক যুবক তার হাত টেনে ধরে রাখেন। চেক টি-শার্ট পরিহিত অপর এক যুবক ধারালো কাঁচি দিয়ে চুল কাটতে থাকেন। এ সময় নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য ওই নারী আর্তচিৎকার করতে থাকলেও নির্যাতন চলতে থাকে। ভিডিওর শেষের দিকে দুজনেই ওই নারীর মুখে থাপ্পড় দিতে থাকেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নির্যাতনকারী দুই যুবকের মধ্যে রয়েছেন প্রতিবেশী ইউসুফ বেপারীর নাতি সুমন হোসেন ও জয় হোসেন।

অপরদিকে, ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাতেই পরকীয়া প্রেমিকসহ ওই নারীকে গাছে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। তখন দুজনকেই মারধর করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ওই নারী শনিবার (১০ অক্টোবর) বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে আসেন। শনিবার দিনগত রাতে তার কক্ষ থেকে এক যুবকসহ তাকে আটক করেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় ওই যুবক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন।

পরে তাদের দিনভর আটকে রেখে বিকালে ওই নারীর চুল কেটে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া অভিযুক্ত যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সদরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ বলেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের একাধিক টিম কাজ করতে শুরু করেছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

তিনি বলেন, কেউ অপরাধ করলে তার জন্য আইন রয়েছে। আইন হাতে তুলে নেওয়া কখনো কাম্য নয়। এটি অবশ্যই আইনবিরোধী কাজ করা হয়েছে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ