যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহাগ ফকির (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি এ তথ্য জানায়।
সিআইডির গণমাধ্যম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, সোহাগ নিজেকে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক বলে দাবি করেছেন। তবে পূজার ছুটিতে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকায় তার এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলার তদন্তে সোহাগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর রাজৈর থানা-পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে একই ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছিল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সোহাগকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এ মামলায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা আরও বাড়ল।
গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মূল প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়া যায়। এ কারণে পরীক্ষা স্থগিত করে অধিদপ্তর।
এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করা হয়। পরে গত ১৬ অক্টোবর স্থগিত পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৫ হাজার ৩৮৬ জন।



