মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলম বলেছেন, তার কারাবাসের ইতিহাস নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া যখন জেলে ছিলেন, তখন আমার সঙ্গে সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের পরিচয়ই ছিল না। এর অনেক পর উনার সঙ্গে পরিচয় ও বাগদান হয়। কিন্তু জুলাইয়ের পর বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম কূটনৈতিক বৈঠক আয়োজনের ক্ষেত্রে তিনি বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।
মেঘনা আলম বলেন, সৌদির রাষ্ট্রদূত মনে করতেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হয়তো অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তায় নতুন সরকার গঠন করবে। তবে তিনি রাষ্ট্রদূতকে বিএনপির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পরামর্শ দেন। নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে অন্য রাষ্ট্রদূতদের আগেই খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার বিষয়েও তিনি তাকে বুঝিয়েছিলেন বলে দাবি করেন মেঘনা আলম।
তিনি বলেন, ‘একজন মহান নেত্রী বিনা অপরাধে কারাবরণ করেছিলেন। আমিও বিনাবিচারে কারাবরণের স্বাদ নিয়েছি। সেই ইতিহাস নিয়ে হাসাহাসি ও নোংরামি করবেন না।
পোস্টে সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর প্রসঙ্গও তোলেন মেঘনা আলম। তিনি বলেন, দেশের মানুষকে অসম্মান করা এবং এ ধরনের নোংরা আচরণের কারণে বিদেশে বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সৌদি আরবে বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
মেঘনা আলম বলেন, ‘আজ এ দেশের দুই নাগরিক এসব নোংরামির কারণেই ভিনদেশে জীবন হারিয়েছেন। আপনাদের এই নোংরামির কারণেই, দেশের মানুষকে অসম্মান করার কারণেই এ দেশের নারী-পুরুষকে বিয়ে করা সৌদিতে নিষিদ্ধ। তারা আপনাদের অকারণে ইদুর, মিসকিন বলে না— নোংরা মনে করে আপনাদের নিজেদের স্বভাবেই! নিজের দেশের মহান নেত্রীর জেলজীবন নিয়ে নোংরামি করতে লজ্জা করে না???
ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো ব্যক্তিদের সেগুলো মুছে ফেলারও আহ্বান জানান মেঘনা আলম। একই সঙ্গে এমন পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে অন্য দেশগুলো বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখে।



