পুলিশের চাকরিতে থাকা অবস্থায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ ধরে রাখায় সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সমিতি।
তবে ওসির দাবি, চাকরিতে যোগদানের আগেই তিনি সদস্যপদ স্থগিতের আবেদন করেছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আইনজীবী হিসেবে সনদ নেওয়ার পর আইন পেশায় যুক্ত না থেকে চাকরি বা অন্য ব্যবসায় জড়িত সদস্যদের চিহ্নিত করে শোকজ করা হচ্ছে। সরাইল থানার ওসির সদস্যপদ সক্রিয় থাকায় তাকেও নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি ২০০২ সালের ২০ অক্টোবর সদস্যপদ লাভ করেন। জেলা আইনজীবী সমিতির অ্যানেক্স ভবনে তার অফিসের ঠিকানাও রয়েছে।
জানতে চাইলে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, মনজুর কাদের একইসঙ্গে দুই পেশায় যুক্ত থাকায় সমিতির আইন অনুযায়ী শোকজ করা হয়েছে। তার মতো আরও অনেকে আইন পেশায় যুক্ত না থেকেও সদস্যপদ ধরে রেখেছেন। তাদের বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে ওসি মনজুর কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ২০০৪ সালে পুলিশে যোগ দেওয়ার আগেই সদস্যপদ স্থগিতের আবেদন করেছিলাম। কী কারণে সেটি এখনো সক্রিয় রয়েছে, তা আমি জানি না।
‘আইনজীবীর সনদ নিয়ে অন্য পেশায় থাকা যায় না, এটি আমি জানি। চিঠি পাওয়ার পর প্রমাণসহ জবাব দিয়েছি,’ বলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ২৬ অক্টোবর আইনজীবী হিসেবে সনদ নিয়ে আইন পেশার বাইরে চাকরি, ব্যবসা বা অন্য পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া।



