পারিবারিক বিরোধের জেরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানায় সালিশ বৈঠক শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময় দুগ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক কনস্টেবল রিজনসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে আটক করেছে।
সোমবার রাত ৮টায় কোম্পানীগঞ্জ থানার গেটে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন মো. আলা উদ্দিন সোহেল, ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো. আজগর আলী, জাহিদুল ইসলাম সাব্বির ও মাইন উদ্দিন।
জানা গেছে, মুছাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের চর ছোটধলী এলাকার শুফ উল্যাহর ছেলে দুবাই প্রবাসী মো. আলা উদ্দিন সোহেলের সঙ্গে কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের লামছি প্রসাদ গ্রামের মাশরুপা আক্তার ফারজাহানার এক বছর আগে মোবাইলে বিয়ে হয়। সোহেল তিন মাস পূর্বে প্রবাস থেকে দেশে আসার পর পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলে কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই জয়দাস গুপ্ত উভয় পক্ষকে নিয়ে সোমবার রাত ৮টায় সালিশ বৈঠকে বসেন। সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষ স্থানীয়ভাবে সমাধান করবে মর্মে বের হয়ে যাওয়ার সময় থানার গেটে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষের সময় পুলিশ সদস্য রিজন বাধা দিলে তার ওপর হামলা করা হয়। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসিসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং পাঁচজনকে আটক করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান ডেইলি বরিশাল-কে জানান, বিষয়টি দেখে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।



