চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী মাঠ থেকে বিশাল আকৃতির একটি বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ আটক করেছেন স্থানীয় এক কৃষক।
বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার মুন্সিপুর সীমান্তের শিমুলতলা মাঠে শূন্যরেখা সংলগ্ন এলাকা থেকে সাপটি আটক করা হয়। পরে রাত ৯টার দিকে সাপটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার সাপটিকে সুন্দরবন এলাকায় অবমুক্ত করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এজন্য খুলনা বন বিভাগ থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল আসছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মুন্সিপুর গ্রামের সিরাজের ছেলে কৃষক হাসান তার গাড়ল ভেড়া চরানোর জন্য সীমান্ত এলাকার শিমুলতলা মাঠে যান। হঠাৎ তিনি দেখতে পান একটি গাড়ল ভেড়াকে কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে একটি বিষধর বড় সাপ। পরে সাপটিকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে আটক করেন তিনি। এরপর সেটিকে একটি খাঁচায় বন্দি করে রাখেন।
সীমান্তবর্তী মাঠে বিশাল আকৃতির বিষধর সাপ আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সাপটি দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে। এ সময় সাপটির আকৃতি ও বিষধর স্বভাব নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহল দেখা দেয়।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা বন বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে বন বিভাগের ফরেস্ট গার্ড শাহাজামাল ওরফে রিপন ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন। রাত ৯টার দিকে সাপটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দামুড়হুদা উপজেলা বন কর্মকর্তা (ফরেস্টার) সুরেশ মিস্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রশিক্ষণসংক্রান্ত কাজে বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। এ কারণে সাপটি আটকের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তার জানা নেই।
জীবননগর ডেপুটি রেঞ্জার শরিফুল ইসলাম কাজল সাপটি রাসেল ভাইপার বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাসেল ভাইপার অত্যন্ত বিষধর সাপ। সাপটিকে নিরাপদে অবমুক্ত করার জন্য খুলনা বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। সেখান থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল আসছে। সাপটি নিয়ে গিয়ে সুন্দরবন এলাকায় অবমুক্ত করা হবে।



