দেশের কলকারখানাগুলো যেন সঠিকভাবে চলে এবং মানুষের জানমাল যেন নিরাপদ থাকে—সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দেশের পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতা নিয়ে আজ রোববার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, 'শ্রমিকদের মজুরি সমন্বয় করতে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আমাদের এখন লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীল অবস্থা ফিরিয়ে আনা।'
'সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য, এটা ক্লিয়ার যে একটি রাজনৈতিক দলের লোকজন ডিসেম্বরকে সামনে রেখে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে...সেই ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করছে। আমরা সেটা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব,' বলেন শ্রমমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে কলকারখানা, শিল্পকারখানা যেন সঠিকভাবে চলে, জনগণের জানমাল যেন নিরাপদে থাকে,আমরা সবাই যেন সজাগ থাকি।'
সন্ধ্যা ৬টায় সচিবালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৈঠকে কয়েকজন মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক ও পরিবহন শ্রমিক নেতা সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বৈঠকে অংশ নেন।
এর আগে, ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে সকাল থেকে ঢাকার মিরপুরে, সাভার-আশুলিয়ায় ও গাজীপুরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন পোশাকশ্রমিকরা। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পর্যালোচনায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করে।
সূত্র জানায়, শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী দুই দিন আগেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে শ্রমিক প্রতিনিধির মনোনীত ব্যক্তির নাম পেতে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সময় লেগে যায়। যে কারণে মজুরি বোর্ড গঠনেও দেরি হয়।



