‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সোমবার (২ নভেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনটির সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠনের সব স্তরে গণতান্ত্রিক চর্চা করে। একই সঙ্গে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে নারীদের কার্যক্রম ও কমিটি রয়েছে। অথচ টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কমিটিতে নারীদের কোনো অংশগ্রহণ নেই’ বলে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক।
তিনি বলেন, প্রতিবেদনে দেওয়া এ তথ্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তিনি।
জামায়াতের সাংগঠনিক কাঠামোর তথ্য তুলে ধরে গোলাম পরওয়ার বলেন, সংগঠনটির অন্যতম দুটি ফোরাম হলো কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা। বর্তমান কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন নারী সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরায় ১২২ জন নারী সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া দলটির রুকন বা সদস্যদের মধ্যে নারী সদস্যের হার প্রায় ৪৩ শতাংশ।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মতো দায়িত্বশীল সংস্থার পক্ষ থেকে অসত্য তথ্যনির্ভর প্রতিবেদন প্রকাশ অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দায়িত্বহীনতার পরিচয়। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে কোনো প্রকাশনা বা প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।



