রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাট সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় ঘাট সংকটের কারণে দূরপাল্লার যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে পদ্মা নদীতে নাব্য সংকটের কারণে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান থাকায় ঘাটটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
দৌলতদিয়া ঘাট বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নৌরুটে যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প ফেরিঘাট ব্যবহার করে পারাপার কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে আসা দূরপাল্লার বেশির ভাগ যাত্রী ও চালকরা জানান, প্রতি বছর নাব্য সংকটের কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। নৌরুটে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য পরিকল্পিত ও নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন বলে তারা জানান।
ফেরিঘাট সূত্র জানায়, নদীর তলদেশে অতিরিক্ত পলি জমে যাওয়ায় ফেরি চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ড্রেজিং কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীরা সাময়িকভাবে ভোগান্তিতে পড়েছেন। যাত্রীদের দাবি, এখানে সরকারের দ্বিতীয় পদ্মা সেতু করা প্রয়োজন।
আরিচা ড্রেজিং বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখে সম্পাদিত হাইড্রোগ্রাফিক চার্ট ড্রেজিং কাজের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৫ লাখ ঘনমিটার। তবে পরবর্তীতে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ফেরিঘাটে পলি জমে যাওয়ার কারণে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৮ লাখ ঘনমিটার ধরা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ড্রেজিংয়ের কারণে মঙ্গলবার সকাল থেকে ৭ নম্বর ফেরিঘাটটি বন্ধ রয়েছে। ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান আছে। ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ হলে আবার ফেরিঘাটটি সচল করা হবে।
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর আরিচা ড্রেজিং ডিভিশন ও ড্রেজিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ব) হাছান আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, গত ৬ অক্টোবর থেকে আমরা ড্রেজিং বিভাগ এ কাজটি শুরু করেছি। চারটি ড্রেজারের মধ্যে তিনটি ড্রেজিং মেশিন কাজের জন্য চলমান আছে, বাকি একটি মেশিন রাখা আছে। তবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ড্রেজিং কাজ সমাপ্ত করতে পারব।






