জিয়া পরিবারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত র্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
যুবদল নেতা নয়ন বলেন, ৭ই নভেম্বর মানেই আমাদের আবেগ, অনুভূতি, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার জায়গা। রাজনৈতিকভাবে সব দিনের চেয়ে এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনের বিশেষত্বের কারণেই আজ বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন ও মুক্তভাবে বসবাস করতে পারছে এবং গণমাধ্যমগুলো স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছে।
বিগত ১৭ বছরের রাজনৈতিক লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যানের নেতৃত্বের জন্য আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করেছি, রক্ত দিয়েছি, গুলি ও রিমান্ডের মুখোমুখি হয়েছি এবং অসংখ্য হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। এত সব নির্যাতনের পরও আমরা পিছুপা হইনি। আমাদের একটাই লক্ষ্য ছিল—প্রিয় নেতাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানানো এবং এই ঐতিহাসিক দিনটি মুক্তভাবে উদযাপনের জন্য আমরা জীবনে এত কষ্ট করেছি।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাহেবের স্মৃতি স্মরণ করে রাখার জন্যই আমরা রাজপথে প্রতীকী ট্যাংক নিয়ে এসেছি। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন জিয়াউর রহমানের স্মৃতি অম্লান থাকবে এবং তার পরিবারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
জিয়াউর রহমানকে আজীবন স্মৃতির মধ্য দিয়ে রাজপথে এবং বুকে আগলে রাখতে চান বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই যুবদল নেতা।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে র্যালি বের করে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি। শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
র্যালিতে যোগ দিতে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের পাশাপাশি আশপাশের জেলা-উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে আসতে থাকেন। বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সেখানে জড়ো হন। এ সময় তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নয়াপল্টন ও আশপাশের সড়ক।






