১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদের সাথে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়। বিশেষ করে সাদ্দাম হোসেন, সাদ্দাম কেয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি, যার কাছ থেকে আন্দোলনকারীদের সরাসরি উসকানি পায়েছিলেন। বিচারপতি বলেন, কাদের সাদ্দামকে ১১ জুলাই তারকার অংশত 'তোমরা মারো না কেন, মারো' বলেছিলেন, যা ছাত্রলীগকে নানাভাবে উসকানি দিয়েছে।
রায়ের পর এবং পরবর্তীতে ১৬ জুলাই তারকার অংশত ওবায়দুল কাদের 'দেখা মাত্রই গুলি' করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে বিচারপতি জানাল। এই আদেশের পর ১৬ জুলাই সন্তানদের ওয়াসিম ও আবু সাঈদসহ কয়েকজন মৃত্যুপ্রাপ্ত হন। ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করা হয়েছে।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরি বলেন, সাদ্দামকে 'তোমরা মারো না কেন, মারো' বলার এই উসকানিকে প্রত্যন্ত কর্মকাণ্ডের সূত্রবর্তী কারণ হিসেবে বিবেচনা করেন। তারপরই ১৬ জুলাই ওয়াসিম ও আবু সাঈদসহ কয়েকজন অপরাধী মৃত্যু পান এবং ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত মামলে আদেশ করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ হত্যা করা হয়েছে।
এই আদেশগুলোর ফলে সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের ব্যাপক ধারণীয়তা ঘটেছে। বিশেষ করে আসামিদের এখানকার উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা একত্রে নির্বিচারে মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদের বলেন, এই সব কাজের মূল কারণ ছাত্রলীগের সীমাবদ্ধ অপরাধ বিক্রম ছিল। তাই এই বৃহত্তর হত্যাকাণ্ড কেনা যায় না, কারণ সারা দেশে এই ধরনের গণহত্যার ঢেউ বাড়েছে।






