সেপ্টেম্বর মাসের ১৩ দিনে দেশে যতক্ষণ পর্যন্ত প্রবাসী আয়ের মোট পরিমাণ ১৪২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা দেশের মুদ্রায় ১৭ হাজার ৫৫২ কোটি ১০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা) হিসেবে গণনা করা হলো। এই পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা দেশী অর্থবাজিত্বের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মuখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করেন যে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দুই হাজার ৩৭৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরের মাসের প্রথম ১৩ দিনে রেমিট্যান্সের মোট মান ১৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার ছিল এবং এটি বৃদ্ধি পেতে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৭২৫ কোটি ৩০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই পরিমাণ ১৬ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে, যা বাংলাদেশের বৈশিশীতবৃত্তি ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবਾਸী মানুষের সম্পদ সংরক্ষণের চর্চার প্রতীক।
এই উল্লেখযোগ্য রেমিট্যান্সের পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থায় নতুন স্থিতিশীলতার বক্তব্য ফিরে আসছে। প্রবাসী আয়ের বৃদ্ধি কৃষক ও শিল্পকার্মীর আয়ের সক্ষমতা বাড়িয়েছে এবং দেশের বহু খরচগুলো জবাবদিহিতা পাওয়া গড়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মুদ্রার ওই পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে দেশী অর্থবাজিত্বের নিশ্চয়তা বৃদ্ধি পায়।
বাংলাদেশ সরকার এই রেমিট্যান্সের ভূমিকা সম্মান করে বললে এটি দেশের বিনিয়োগের প্রধান উৎস হিসেবে ধারণ করা যাক। রেমিট্যান্সের উচ্চ সূক্ষ্ম বৃদ্ধি দেখায় যে বিমূলিত অভ্যথায় বিদেশী প্রবাসীরা তাদের আয়ের মাধ্যমে দেশে নিরাপদ ও প্রবেশযোগ্য অর্থসামর্থ্য তৈরি করছে, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নেরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।



-6aa955a4eb589.webp)


