বরিশালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হওয়া সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন (৩৮) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দর থানা থেকে পালিয়েছেন। দেলোয়ার হোসেন বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানার এএসআই এবং খুলনা সদরের শেরেবাংলা রোড এলাকার মো. সাখাওয়াত হোসেন সিকদারের ছেলে। একইদিন ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর এলাকার মিরাজুল ইসলামের বাড়িতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা অভিযান চালায়। ওই বাড়ি থেকে দেলোয়ারসহ চারজনকে আটক করা হয়: বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটের ভট্টখামার নোয়াপাড়া এলাকার আবু সাঈদ মোল্লার মেয়ে নাহিদ হাসান (২৬), বরিশাল সদরের দক্ষিণ কড়াপুর এলাকার মৃত এম এ বারির ছেলে মো. মিরাজুল ইসলাম (৩৪) এবং বরিশাল নগরের কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর এলাকার হেমায়েত গাজীর ছেলে ফাতেমা আক্তার নূরজাত (৩০)।
আটকের পর দেলোয়ার হোসেনকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের জানান, আটক চারজনকে ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে দেলোয়ারকে থানা হেফাজতে নেওয়া হলেও তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ থানা থেকে পালিয়েছেন বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। ওসি রফিকুল ইসলাম পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে বলেন, পালাননি হয়তো ভয়ে দূরে কোথায় গেছেন।
থানা সূত্রে আরও জানা গেছে, দেলোয়ারকে হেফাজতে নেওয়ার পর থেকে থানা পুলিশের নজরদারিয়ে রাখা হয়েছিল, কিন্তু সন্ধ্যায় তিনি অজানা পথে পলাতক হন। ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে বরিশালের পুলিশ প্রশাসনে চাঞ্চল্য ছড়ায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেলোয়ার পেশাগত কারণে মাদক চোরাচালানে জড়িত থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


