শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
২৩শে আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

জাতীয়

ডিম খেতে ভালোবাসেন, আজ আপনার দিন

ডিম খেতে ভালোবাসেন, আজ আপনার দিন...

ম
মুনতাসির মাহমুদ· বার্তা সম্পাদক
প্রকাশ: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৯ পিএমসর্বশেষ: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
ডিম খেতে ভালোবাসেন, আজ আপনার দিন

// Copy link functionality const copyBtn = document.querySelector('.copy-link-btn'); if (copyBtn) { copyBtn.addEventListener('click', function() { const url = this.getAttribute('data-url'); navigator.clipboard.writeText(url).then(function() { // Show success message const originalText = copyBtn.innerHTML; copyBtn.innerHTML = 'Copied!

মানুষের পরিচিত প্রাচীনতম খাবারগুলোর একটি হলো ডিম। সেই প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ডিমে প্রচুর প্রোটিন থাকে। সকালের নাশতার নানাপদ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন খাবারেও ডিম ব্যবহার করা হয়। স্যান্ডউইচের সঙ্গে খাওয়ার উপযোগী মেয়োনিজের মতো জনপ্রিয় সস তৈরিতেও ডিম লাগে।

প্রতি বছরের ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপন করা হয়। ডিমের গুরুত্ব ও পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ভূমিকা তুলে ধরতে দিবসটির প্রচলন।

ডিম নিয়ে নানা আয়োজনের মাধ্যমে ডিম দিবস উদযাপন করা যায়। এ দিনের জন্য রয়েছে কয়েকটি মজার ধারণা।

বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপনের শুরু হতে পারে এক প্লেট স্ক্র্যাম্বলড এগ দিয়ে। ডিম ফেটিয়ে ভেজে তৈরি এই খাবারের সঙ্গে বেকনও খাওয়া যায়। সামান্য লবণ, গোলমরিচ ও পনির যোগ করলে খাবারটি আরও সুস্বাদু হয়।

নতুন কিছু খেতে আগ্রহীদের জন্য হাঁসের ডিম বা রাজহাঁসের ডিম হতে পারে ভিন্ন অভিজ্ঞতা। হাঁসের ডিম অনেকের কাছে বেশ পছন্দের। আর রাজহাঁসের ডিম সাধারণ মুরগির ডিমের চেয়ে বড়। বিভিন্নভাবে রান্না করে এসব ডিমের স্বাদ নেওয়া যায়।

ডিমের খোসার রং নির্ভর করে মুরগির জাতের ওপর। ডিমের খোসার রং দেখে তার সতেজতা, স্বাদ কিংবা পুষ্টিগুণ বোঝা যায় না। মূলত মুরগির জাতের কারণে ডিমের খোসা সাদা, বাদামি বা অন্য রঙের হয়। মুরগির কানের লতির রঙের সঙ্গেও ডিমের খোসার রঙের সম্পর্ক রয়েছে।

রাঁধুনির টুপির ভাঁজের সঙ্গে ডিম রান্নার সম্পর্ক আছে। প্রচলিত একটি ধারণা অনুযায়ী, আগে রাঁধুনির টুপিতে থাকা ভাঁজের সংখ্যা দিয়ে ডিম রান্নার বিভিন্ন পদ্ধতিতে তার দক্ষতা বোঝানো হতো। ১০০টি ভাঁজকে ধরা হতো বিশেষ সম্মানের প্রতীক হিসেবে।

কাঁচা ডিমের চেয়ে রান্না করা ডিমের প্রোটিন শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে। অনেকে মনে করেন, পেশি গঠনের জন্য কাঁচা ডিম খাওয়া ভালো। কিন্তু কাঁচা ডিমের প্রোটিনের প্রায় ৫০ শতাংশ শরীর হজম করতে পারে। রান্না করা ডিমের ক্ষেত্রে এই হার ৯০ শতাংশেরও বেশি। তাই পুষ্টি গ্রহণের জন্য রান্না করা ডিম ভালো।

ডিম তাজা কি না, তা বোঝার একটি প্রচলিত উপায় হলো পানির গ্লাসে ডিম ছেড়ে দেওয়া। ডিম ডুবে গেলে সেটি তুলনামূলক তাজা হতে পারে। আর ভেসে উঠলে সেটি পুরোনো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে এই পরীক্ষা দিয়ে ডিম খাওয়ার জন্য নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায় না।

ডিমের সাদা অংশ ঘোলাটে হলে সেটি সাধারণত বেশি তাজা হওয়ার লক্ষণ বলে ধরা হয়। দোকান থেকে কেনা ডিম কিছুদিন সংরক্ষিত থাকার কারণে এর সাদা অংশ স্বচ্ছ হতে পারে। তবে সাদা অংশের রং অস্বাভাবিক হলে ডিমটি না খাওয়াই ভালো।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
ম

মুনতাসির মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক

নিউজরুম এডিটর, ডেইলি বরিশাল ডটকম। বার্তা বিভাগে অভিজ্ঞতা ৭ বছর।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ