মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
২৭শে আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

জাতীয়

ক্যাম্পাসে গাড়ির ধাক্কায় ঢাবির ৭ শিক্ষার্থী আহত, চালকের দাবি ‘চালানো শিখছিলেন’

ক্যাম্পাসে গাড়ির ধাক্কায় ঢাবির ৭ শিক্ষার্থী আহত, চালকের দাবি ‘চালানো শিখছিলেন’...

ম
মুনতাসির মাহমুদ· বার্তা সম্পাদক
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৭ পিএমসর্বশেষ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৭ পিএম
ক্যাম্পাসে গাড়ির ধাক্কায় ঢাবির ৭ শিক্ষার্থী আহত, চালকের দাবি ‘চালানো শিখছিলেন’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে একটি গাড়ির ধাক্কায় অন্তত সাত শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সহপাঠীর বরাতে জানা গেছে, গুরুতর আহত দুই শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

আহতদের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসানের চোখের উপরে গুরুতর আঘাত লেগেছে, সেখানে পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে। আরেক শিক্ষার্থী কানিজ ফাতেমা আদ্রিতার পা ভেঙে গেছে এবং প্লাস্টার করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শিক্ষার্থীদের বন্ধুদের ভাষ্য অনুযায়ী, আহতদের ছয়জন মার্কেটিং বিভাগের এবং একজন ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা গাড়িটি ভাঙচুর করেন এবং চালককে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যান।সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চালক নিজেকে শাদমান এবং তার বাবা শহিদুল ইসলাম বলে পরিচয় দিচ্ছেন।

ঘটনাস্থলে শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় শাদমান বলেন, ‘আমি প্রথমবার গাড়ি চালাচ্ছিলাম। ভুল করে ব্রেকের বদলে অ্যাকসেলেরেটর চাপ দিয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রসংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে, শাদমানের বাবা শহিদুল ইসলাম ঢাবির গণিত বিভাগের শিক্ষক এবং পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পিবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য। শাদমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন জানান, এক শিক্ষার্থীর লিগামেন্টে আঘাত লেগেছে, আরেকজনের সম্ভবত মাথায় আঘাত লেগেছে। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খরচ বহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

প্রক্টর জানান, শাদমান বাবার অনুমতি ছাড়াই গাড়িটি নিয়ে বের হয়েছিলেন। আহত শিক্ষার্থীরা মামলা না করলে এবং লিখিত অভিযোগ জমা দিলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আঞ্জুমান জানান, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। গাড়িটির চালক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে রয়েছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নওশিন রিনভী রিফতি বলেন, ‘গাড়ি অনেক জোরে আসছিল। সেকেন্ডের মধ্যে সরে যাওয়ায় আমি বেঁচে গেছি। কিন্তু গাড়িটি আমার বন্ধুদের ধাক্কা দিয়ে টেনে নিয়ে যেতে থাকে। ধাক্কা দিয়েও থামেনি। কয়েক ফুট টেনে নিয়ে যায়। দু-তিনজন ধাক্কা গেলে গাড়ির ছাদের ওপর গিয়েও পড়ে।

‘চালককে আটক করে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এখানে গাড়ি চালানো শিখছিলেন’, যোগ করেন তিনি।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
ম

মুনতাসির মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক

নিউজরুম এডিটর, ডেইলি বরিশাল ডটকম। বার্তা বিভাগে অভিজ্ঞতা ৭ বছর।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ