পিরোজপুরের জিয়ানগরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. দুলাল ফকিরের নামে জেলে কার্ড থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ কার্ডের মাধ্যমে জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি সহায়তার চাল উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে।
দুলাল ফকির চরবলেশ্বর গ্রামের মৃত খবির উদ্দিন ফকিরের ছেলে। তিনি আর্থিকভাবে সচ্ছল এবং সমুদ্রে মাছ ধরার দুটি ফিশিং বোটের মালিক। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেও জানা গেছে।
জানা গেছে, উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়নের ১ নম্বর চরবলেশ্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. দুলাল ফকিরের নাম মৎস্যজীবীদের তালিকায় রয়েছে। ওই তালিকার ৩৮ নম্বর ক্রমিকে তার নাম উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা সহায়তার চাল উত্তোলন করছেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত দুলাল ফকির বলেন, আমি একজন মহাজন। সাগরে মাছ ধরার ফিশিং বোট রয়েছে আমার। তবে মহাজন ও জেলে—সবারই জেলে কার্ড পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি চাল উত্তোলন করে অন্য এক জেলেকে দিয়েছি।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফাহাদ রহমান বলেন, ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ডের বিষয়টি আমার জানা নেই। তালিকা না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।



