বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

সারাদেশ

প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, যুবকের মৃত্যুদণ্ড...

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫ পিএমসর্বশেষ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জোৎস্নাকে ফার্মেসির ভেতরে হত্যার পর ৬ টুকরো করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লা এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) নিতে হবে। অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত দণ্ড কার্যকর করা যাবে না। এ সময় পর্যন্ত আসামিকে কারাগারের কনডেমড সেলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, দণ্ডিত জিতেশ চন্দ্র গোপের বাবার নাম যাদব চন্দ্র গোপ এবং মায়ের নাম অনিতা রানি গোপ। তার স্থায়ী বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায়। তিনি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের একটি মার্কেটে ফার্মেসি পরিচালনা ও অবস্থান করতেন।

রায়ের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নিখোঁজ হন প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জোৎস্না। পরদিন ১৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় একটি ফার্মেসির ভেতর থেকে তার লাশের ৬টি টুকরো উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, জগন্নাথপুরের ওই ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন শাহনাজ। পরে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি করে ফার্মেসির ভেতর তার লাশের ৬টি খণ্ড দেখতে পান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই হেলাল আহমদ বাদী হয়ে জিতেশ চন্দ্র গোপসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্ত জিতেশ চন্দ্র গোপের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত প্রধান আসামি জিতেশকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল বলেন, এই রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এটি সমাজে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এর ফলে বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ