রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দীর্ঘ করতে যাচ্ছেন জুড বেলিংহ্যাম। স্প্যানিশ ক্লাবটির সঙ্গে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চুক্তি নবায়নের বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছেন ইংল্যান্ডের এই তারকা মিডফিল্ডার। নতুন চুক্তিতে বেতন-ভাতাও বাড়তে যাচ্ছে তার।
২০২৩ সালে জার্মান ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন বেলিংহ্যাম। তখন তার সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল ২০২৮-২৯ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত। এবার মেয়াদ বাড়িয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য তাকে দলে রাখার উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের সফলতম ক্লাবটি।
রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর থেকেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে আসছেন বেলিংহ্যাম। মাঝমাঠে কার্যকর ভূমিকার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার দক্ষতাও দেখিয়েছেন তিনি। ক্লাবের হয়ে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও দলের ওপর প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবেই নতুন চুক্তিতে আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।
দানি কারভাহাল, লুকা মদ্রিচ ও টনি ক্রুসের মতো অভিজ্ঞ তারকাদের বিদায়ের পর রিয়ালের নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই জায়গায় বেলিংহ্যামকে ভবিষ্যতের অন্যতম নেতা হিসেবে দেখছে ক্লাবটি। মাঠে তার পরিশ্রম, দায়িত্বশীলতা এবং সতীর্থদের উজ্জীবিত করার ক্ষমতাও সমর্থকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
গত মৌসুমের শেষদিকে চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। শুরু থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব থাকায় সমঝোতায় পৌঁছানো সহজ হয়েছে বলে জানা গেছে। মাদ্রিদের জীবনযাত্রা ও ক্লাবের পরিবেশের সঙ্গে বেলিংহ্যামের মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
চোট ও শারীরিক সমস্যার কারণে বেলিংহ্যামকে গত কিছু সময়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। কাঁধের অস্ত্রোপচারের বিষয়টিও তার ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলেছিল। তবে শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে ধীরে ধীরে নিজের সেরা ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন এই ইংলিশ তারকা।
কোচের কৌশলে আক্রমণভাগের কাছাকাছি স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগ পেলে বেলিংহ্যামের কার্যকারিতা আরও বাড়ে। কিলিয়ান এমবাপ্পের পেছনে থেকে আক্রমণে অবদান রাখার পাশাপাশি রক্ষণেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দুই প্রান্তেই তার সক্রিয় উপস্থিতি রিয়ালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে বেলিংহ্যামকে ধরে রাখার উদ্যোগ রিয়াল মাদ্রিদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় দতার গুরুত্বই তুলে ধরছে। আগামী বছরগুলোতে লের মাঝমাঠ ও নেতৃত্বে ইংলিশ এই তারকার ভূমিকা আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।



