অফিসে কাজের চাপ। বসের তাড়া। একের পর এক মিটিং। ইনবক্সে জমে আছে ই-মেইল। এমন দিনে মন ভালো করার উপায় কী? এক কাপ চা? একটু আড্ডা? নাকি এক টুকরো চকলেট?
চকোলেটপ্রেমীদের জন্য আছে দারুণ এক দিন। নাম অফিস চকলেট দিবস। আজই সেই দিবস। দিনটি উপলক্ষে কাজের ফাকে চকলেট খাওয়া যায়। সহকর্মীদেরও দেওয়া যায়।
চকলেট জনপ্রিয় হতে শুরু করে সপ্তদশ শতকের শেষ দিকে। তার আগে অফিসের কর্মীরা কাজের একঘেয়েমি কীভাবে কাটাতেন, তা কে জানে! তখন হয়তো ডেস্কের ড্রয়ারে চকলেট লুকিয়ে রাখার সুযোগও ছিল না।
অফিস চকোলেট দিবস উদযাপনের সহজ উপায় হলো চকলেট ভাগাভাগি করা। সহকর্মীর জন্য এক বক্স চকলেট, কিছু মাফিন কিংবা একটি কেক নিয়ে যেতে পারেন। এতে তাদের মুখে হাসি ফুটবে।
আর যার সঙ্গে কেবল কাজের কথাই হয়, তাকেও আজ চকলেট দিতে পারেন। হয়তো এক টুকরা চকলেটেই বরফ গলবে। তবে একজনকে দিয়ে আরেকজনকে বাদ দেবেন না। তাহলে কিন্তু মিষ্টি আয়োজন মুহূর্তেই তেতো হয়ে যেতে পারে!
এছাড়া সহকর্মীদের চকলেট পার্টির প্রস্তাব দিতে পারেন। দুপুরের বিরতিতে সবাই মিলে পছন্দের চকলেট নিয়ে আড্ডা দিতে পারেন। তাতে পার্টি হবে, আবার আড্ডাও হবে। চাইলে বেছে নিতে পারেন ডার্ক চকলেট, মিল্ক চকলেট। তবে চকোলেট খেতে খেতে কাজের কথা ভুলে গেলে চলবে না। না হলে টেবিলে ফাইল জমে স্তূপ হয়ে যাবে।
দিন শেষে কথা একটাই কাজ থাকুক, চাপ থাকুক, একটু আনন্দও থাকুক। কারণ, সব সমস্যার সমাধান চকলেট নয়। তবে এক টুকরা চকলেট দিনটাকে একটু মিষ্টি করতেই পারে।



