মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
১২ই কার্তিক, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

খেলাধুলা

মেসি-রোনালদোও যা পারেননি, তেমন ২টি বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ইয়ামাল

মেসি-রোনালদোও যা পারেননি, তেমন ২টি বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ইয়ামাল...

ম
মোহাম্মদ আলী· ক্রীড়া সংবাদদাতা
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১:০০ পিএমসর্বশেষ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১:০০ পিএম
মেসি-রোনালদোও যা পারেননি, তেমন ২টি বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ইয়ামাল

ব্যালন ডি’অর জেতা হয়নি লামিন ইয়ামালের। তবে ব্যক্তিগত অর্জনে ইতিহাস গড়েছেন বার্সেলোনার এই স্প্যানিশ তারকা। এমন ২ রেকর্ড গড়েছেন, যা লিওনেল মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো ২ তারকাও তাদের ক্যারিয়ারে পারেননি।

ইয়ামাল এই নিয়ে টানা তৃতীয়বার ২১ বছরের কম বয়সী ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পর ২০২৬ সালেও এই পুরস্কার জিতে অনন্য রেকর্ড গড়েছেন ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

তবে তার রেকর্ড এখানেই শেষ নয়। ইয়ামাল প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ২০ এ পা দেওয়ার আগেই ব্যালন ডি’অরের শীর্ষ ১০-এ জায়গা করে নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন। ২০২৪ সালে ব্যালন ডি’অরের অষ্টম স্থানে ছিলেন তিনি। এরপর গেল বছর তিনি দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। চলতি বছরও শীর্ষ ৩-এ জায়গা করে নিয়েছেন ইয়ামাল। তাতেই গড়া হয়ে গেছে বিশ্বরেকর্ড।

প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অরের শীর্ষ ১০-এ জায়গা করে নিতে মেসিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১০ বছর পর্যন্ত। এদিকে রোনালদো প্রথমবার শীর্ষ ১০-এ উঠেছিলেন ২২ বছর বয়সে। তারা যা ২০ এর আগে কখনো পারেননি, সে কীর্তিই ৩ বার করে দেখালেন ইয়ামাল।

স্প্যানিশ এই উইঙ্গারের এই ২ কীর্তি গড়ার পেছনে তার মাঠের পারফরম্যান্স বড় ভূমিকা রেখেছে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৫ ম্যাচে ২৪ গোল করার পাশাপাশি ১৮টি গোলে সহায়তা করেছেন তিনি। গোল করা ও সতীর্থদের দিয়ে গোল করানো—দুই ক্ষেত্রেই ছিলেন দলের অন্যতম ভরসা।

ইয়ামালের পারফরম্যান্সে ভর করে স্প্যানিশ লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জেতে বার্সেলোনা। লিগে একাই ১৬ গোল ও ১১টি গোলে সহায়তা করেন তিনি। মৌসুম শেষে লা লিগার সর্বোচ্চ গোলে সহায়তাকারী হওয়ার পাশাপাশি জেতেন প্রতিযোগিতাটির সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও।

ক্লাবের পাশাপাশি স্পেনের জাতীয় দলের হয়েও স্মরণীয় সময় কাটিয়েছেন ইয়ামাল। গত গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে স্পেনের শিরোপা জয়ে অবদান রাখেন তিনি। প্রতিযোগিতায় আট ম্যাচ খেলে একটি গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড।

কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতে স্পেন। ফলে বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়েও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেয়েছেন ইয়ামাল।

দলীয় সাফল্য ও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স—দুই দিক থেকেই দুর্দান্ত মৌসুম কাটানোর পরও মূল ব্যালন ডি’অর জেতা হয়নি তার। তবে তিনি পেয়েছেন সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি, গড়েছেন ২ রেকর্ড। উঠে গেছেন ইতিহাসের পাতায়।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
ম

মোহাম্মদ আলী

ক্রীড়া সংবাদদাতা

খেলাধুলা বিভাগের বিশেষ সংবাদদাতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ